পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মাছ ধরার সময় মুক্তিপণের দাবিতে ১০ জন জেলেকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্ট ও নদী থেকে তাদের জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের আমির আলী এবং দাতিনখালী গ্রামের আলম সানবির নেতৃত্বাধীন দুটি বাহিনীর পরিচয়ে এই অপহরণ চালানো হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত সুন্দরবনের নোটুব্যাকী, আগুনজ্বলা, জলখাঁকা, চালতেবাড়ো এবং রায়মঙ্গল নদী এলাকা থেকে এসব জেলেদের তুলে নেওয়া হয়।

অপহৃত জেলেদের মধ্যে রয়েছেন শ্যামনগর উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের রুবেল, ইমরান ও খোরশেদ; ছোটফূলক্ষী গ্রামের নুরুজ্জামান; কালিন্ডি গ্রামের সিদ্দিক গাজী ও জহির আলী; সিংহড়তলী গ্রামের সুরাত আলী এবং কয়রা উপজেলার মোমিন মোড়ল, দিদারুল ও ইমরান। অপহৃত জেলেদের স্বজন ও তাদের সঙ্গে থাকা অন্য জেলেদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতিটি নৌকায় তিনজন করে জেলে ছিলেন, যেখান থেকে জলদস্যুরা প্রতি নৌকা থেকে একজনকে করে তুলে নিয়ে গেছে। নুরুজ্জামান, দিদারুল ও ইমরানসহ নয়জনের জন্য মাথাপিছু এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। এছাড়া সুরাত আলীর কাছেও টাকা দাবি করা হয়েছে, তবে সেই নির্দিষ্ট অঙ্কটি জানা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলাম জানান, জেলেদের মাধ্যমে তারা বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং বন বিভাগের টহল টিমের সদস্যরা বনের ভেতরে অভিযানে রয়েছেন। তবে বিশাল সুন্দরবনের ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে এককভাবে বন বিভাগের পক্ষে দস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো বেশ দুরূহ।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম বলেন, জলদস্যুরা জেলেদের জিম্মি করলে সাধারণত পরিবারগুলো গোপনে দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলে, যার ফলে জেলেরা মুক্তি পেয়ে ফিরে এলেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তথ্য দিতে চায় না। তবে মুক্তিপণের টাকা লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো শনাক্ত করে দস্যুদের আটকের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

জলদস্যুরা প্রতিটি নৌকা থেকে ১ জন করে জেলেকে তুলে নিয়ে যায়।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মাছ ধরার সময় মুক্তিপণের দাবিতে ১০ জন জেলেকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্ট ও নদী থেকে তাদের জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের আমির আলী এবং দাতিনখালী গ্রামের আলম সানবির নেতৃত্বাধীন দুটি বাহিনীর পরিচয়ে এই অপহরণ চালানো হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত সুন্দরবনের নোটুব্যাকী, আগুনজ্বলা, জলখাঁকা, চালতেবাড়ো এবং রায়মঙ্গল নদী এলাকা থেকে এসব জেলেদের তুলে নেওয়া হয়।

অপহৃত জেলেদের মধ্যে রয়েছেন শ্যামনগর উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের রুবেল, ইমরান ও খোরশেদ; ছোটফূলক্ষী গ্রামের নুরুজ্জামান; কালিন্ডি গ্রামের সিদ্দিক গাজী ও জহির আলী; সিংহড়তলী গ্রামের সুরাত আলী এবং কয়রা উপজেলার মোমিন মোড়ল, দিদারুল ও ইমরান। অপহৃত জেলেদের স্বজন ও তাদের সঙ্গে থাকা অন্য জেলেদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতিটি নৌকায় তিনজন করে জেলে ছিলেন, যেখান থেকে জলদস্যুরা প্রতি নৌকা থেকে একজনকে করে তুলে নিয়ে গেছে। নুরুজ্জামান, দিদারুল ও ইমরানসহ নয়জনের জন্য মাথাপিছু এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। এছাড়া সুরাত আলীর কাছেও টাকা দাবি করা হয়েছে, তবে সেই নির্দিষ্ট অঙ্কটি জানা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলাম জানান, জেলেদের মাধ্যমে তারা বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং বন বিভাগের টহল টিমের সদস্যরা বনের ভেতরে অভিযানে রয়েছেন। তবে বিশাল সুন্দরবনের ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে এককভাবে বন বিভাগের পক্ষে দস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো বেশ দুরূহ।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম বলেন, জলদস্যুরা জেলেদের জিম্মি করলে সাধারণত পরিবারগুলো গোপনে দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলে, যার ফলে জেলেরা মুক্তি পেয়ে ফিরে এলেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তথ্য দিতে চায় না। তবে মুক্তিপণের টাকা লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো শনাক্ত করে দস্যুদের আটকের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

জলদস্যুরা প্রতিটি নৌকা থেকে ১ জন করে জেলেকে তুলে নিয়ে যায়।