ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খালের পাড়ের বাসিন্দা মো. ইসমাইলের স্ত্রী রোকেয়া এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিবন্ধী রোকেয়া তিন সন্তান—দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার স্বামী ইসমাইল এক বছর আগে কোনো কিছু না বলেই হঠাৎ উধাও হয়ে যান। বর্তমানে তার স্বামী কোথায় আছেন, বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন—তা কিছুই জানেন না রোকেয়া।

রোকেয়া জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তিনি নিজে কোনো কাজ করতে পারেন না। মাথা গোঁজার নিজস্ব কোনো স্থায়ী ঠাঁইও নেই তার। বর্তমানে পাশের বাড়ির এক আত্মীয়ের দয়ায় তাদের খালি একটি ঝুপড়ি ঘরে সন্তানদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। মানুষের কাছ থেকে যা সামান্য সাহায্য পান, তা দিয়েই কোনোমতে টিকে আছেন। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো প্রতিবন্ধী ভাতাও পাননি।

সরকারি কার্ড ও সহযোগিতার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে অনেকেই তাকে আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে কেউ আর খোঁজ নেননি বলে জানান রোকেয়া। সন্তানদের খাবার জোগাড় করা থেকে শুরু করে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। এলাকার বিত্তবান এবং প্রশাসনের কাছে তিনি তার সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও দুঃখজনক। অসহায় এই প্রতিবন্ধী নারী ও তার সন্তানদের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার প্রতিবন্ধী কার্ডসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খালের পাড়ের বাসিন্দা মো. ইসমাইলের স্ত্রী রোকেয়া এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিবন্ধী রোকেয়া তিন সন্তান—দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার স্বামী ইসমাইল এক বছর আগে কোনো কিছু না বলেই হঠাৎ উধাও হয়ে যান। বর্তমানে তার স্বামী কোথায় আছেন, বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন—তা কিছুই জানেন না রোকেয়া।

রোকেয়া জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তিনি নিজে কোনো কাজ করতে পারেন না। মাথা গোঁজার নিজস্ব কোনো স্থায়ী ঠাঁইও নেই তার। বর্তমানে পাশের বাড়ির এক আত্মীয়ের দয়ায় তাদের খালি একটি ঝুপড়ি ঘরে সন্তানদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। মানুষের কাছ থেকে যা সামান্য সাহায্য পান, তা দিয়েই কোনোমতে টিকে আছেন। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো প্রতিবন্ধী ভাতাও পাননি।

সরকারি কার্ড ও সহযোগিতার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে অনেকেই তাকে আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে কেউ আর খোঁজ নেননি বলে জানান রোকেয়া। সন্তানদের খাবার জোগাড় করা থেকে শুরু করে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। এলাকার বিত্তবান এবং প্রশাসনের কাছে তিনি তার সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও দুঃখজনক। অসহায় এই প্রতিবন্ধী নারী ও তার সন্তানদের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার প্রতিবন্ধী কার্ডসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।