গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে নীরবতা এবং ইসরাইলপন্থি নীতির প্রতিবাদে জার্মান পার্লামেন্টের সামনের একটি পতাকা টাঙানোর খুঁটি থেকে দেশটির জাতীয় পতাকা সরিয়ে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেছেন কয়েকজন অধিকারকর্মী। রোববার এ ঘটনা ঘটে। ‘পিসফুলি অ্যাগেইনস্ট জেনোসাইড’ নামের একটি সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানানো এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যার ঘটনায় জার্মান রাজনীতিকদের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ জানানোই ছিল এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য। সংগঠনটির সদস্য অ্যারন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিষয়ে নীরব থাকা, তা সংঘটিত হতে দেওয়া কিংবা সমর্থন করার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে না। তিনি বলেন, বিশ্বের যেখানেই গণহত্যা সংঘটিত হোক না কেন, তা আমাদের সবাইকে প্রভাবিত করে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ বন্ধের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

জার্মান জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে অ্যারন প্রশ্ন তোলেন, মানুষ যদি আবারও গণহত্যা ঘটতে দেয়, তাহলে ‘আর কখনো নয়’ অঙ্গীকারের অর্থ কী? সরকারগুলো আন্তর্জাতিক আইন মেনে না চললে সেই আইনের মূল্যই বা কী? আর মানবাধিকার যদি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য না হয়, তাহলে তার অর্থ কী? তিনি আরো বলেন, যখন জীবন্ত নরক বাস্তবে পরিণত হয়, তখন নাগরিক সমাজের দায়িত্ব হলো নিজেদের ভূমিকা গ্রহণ করা এবং সবার স্বাধীনতা ও জীবনের সুরক্ষায় অবস্থান নেওয়া।

এদিকে বার্লিন পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে তিন অধিকারকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতীককে অবমাননার অভিযোগে তদন্তও শুরু হয়েছে। সংগঠনটি আগামী দিনগুলোতে জার্মান সরকারের ইসরাইলপন্থী নীতি এবং দেশটিতে অব্যাহত অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে আরো বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া ইসরাইলে সব ধরনের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ এবং বার্লিনে নিজেদের কারখানা বন্ধের দাবিতে অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রাইনমেটালের বিরুদ্ধেও কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছে তারা।

গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে নীরবতা এবং ইসরাইলপন্থি নীতির প্রতিবাদে জার্মান পার্লামেন্টের সামনের একটি পতাকা টাঙানোর খুঁটি থেকে দেশটির জাতীয় পতাকা সরিয়ে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেছেন কয়েকজন অধিকারকর্মী। রোববার এ ঘটনা ঘটে। ‘পিসফুলি অ্যাগেইনস্ট জেনোসাইড’ নামের একটি সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানানো এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যার ঘটনায় জার্মান রাজনীতিকদের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ জানানোই ছিল এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য। সংগঠনটির সদস্য অ্যারন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিষয়ে নীরব থাকা, তা সংঘটিত হতে দেওয়া কিংবা সমর্থন করার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে না। তিনি বলেন, বিশ্বের যেখানেই গণহত্যা সংঘটিত হোক না কেন, তা আমাদের সবাইকে প্রভাবিত করে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ বন্ধের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

জার্মান জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে অ্যারন প্রশ্ন তোলেন, মানুষ যদি আবারও গণহত্যা ঘটতে দেয়, তাহলে ‘আর কখনো নয়’ অঙ্গীকারের অর্থ কী? সরকারগুলো আন্তর্জাতিক আইন মেনে না চললে সেই আইনের মূল্যই বা কী? আর মানবাধিকার যদি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য না হয়, তাহলে তার অর্থ কী? তিনি আরো বলেন, যখন জীবন্ত নরক বাস্তবে পরিণত হয়, তখন নাগরিক সমাজের দায়িত্ব হলো নিজেদের ভূমিকা গ্রহণ করা এবং সবার স্বাধীনতা ও জীবনের সুরক্ষায় অবস্থান নেওয়া।

এদিকে বার্লিন পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে তিন অধিকারকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতীককে অবমাননার অভিযোগে তদন্তও শুরু হয়েছে। সংগঠনটি আগামী দিনগুলোতে জার্মান সরকারের ইসরাইলপন্থী নীতি এবং দেশটিতে অব্যাহত অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে আরো বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া ইসরাইলে সব ধরনের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ এবং বার্লিনে নিজেদের কারখানা বন্ধের দাবিতে অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রাইনমেটালের বিরুদ্ধেও কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছে তারা।