খুলনা নগরীতে আবারও প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীদের গুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত আটটার দিকে নগরীর মিয়াপাড়া এলাকার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে হাসানের চায়ের দোকানের সামনে এই ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তদের ছোড়া লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে রূপসা উপজেলা শিক্ষা অফিসের হিসাবরক্ষক মশিউর রহমান (৫৯) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত মশিউর রহমানের বাবার নাম মোজাম্মেল হক।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে নিজের মেয়ের জন্য খাবার কিনতে মিয়াপাড়া থেকে পিটিআই মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন মশিউর রহমান। পথিমধ্যে হাসানের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে তিনি সেখানে তিন ব্যক্তিকে দেখতে পান। এ সময় দুর্বৃত্তরা অন্য কাউকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তাঁর বাম পাঁজরের নিচে লাগে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জনবহুল এলাকায় এমন আকস্মিক গুলির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জনবহুল এলাকায় দুর্বৃত্তরা কীভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন জানিয়েছেন, এই হামলার প্রকৃত লক্ষ্য কে ছিলেন বা কী উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনাটি ঘটেছে, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা নগরীতে আবারও প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীদের গুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত আটটার দিকে নগরীর মিয়াপাড়া এলাকার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে হাসানের চায়ের দোকানের সামনে এই ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তদের ছোড়া লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে রূপসা উপজেলা শিক্ষা অফিসের হিসাবরক্ষক মশিউর রহমান (৫৯) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত মশিউর রহমানের বাবার নাম মোজাম্মেল হক।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে নিজের মেয়ের জন্য খাবার কিনতে মিয়াপাড়া থেকে পিটিআই মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন মশিউর রহমান। পথিমধ্যে হাসানের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে তিনি সেখানে তিন ব্যক্তিকে দেখতে পান। এ সময় দুর্বৃত্তরা অন্য কাউকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তাঁর বাম পাঁজরের নিচে লাগে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জনবহুল এলাকায় এমন আকস্মিক গুলির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জনবহুল এলাকায় দুর্বৃত্তরা কীভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন জানিয়েছেন, এই হামলার প্রকৃত লক্ষ্য কে ছিলেন বা কী উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনাটি ঘটেছে, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।