ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আগামীকাল সোমবার বিকেল থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে শুরু হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই অধিবেশন ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হবে। তবে অধিবেশনের সময়সীমা বা কার্যদিবস পরিবর্তনের প্রয়োজনে স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এবারের অধিবেশনের জন্য সময় বরাদ্দ ও স্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সংসদ চত্বরকে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী, যা উপস্থিত সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করেন।

অধিবেশন ও সংসদ ভবনের আধুনিকায়ন নিয়ে বৈঠকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে। সংসদ সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া জানিয়েছেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামীকাল বিকেলে এর উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া জাতীয় সংসদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের অগ্রগতি বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, এর মাধ্যমে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যা সংসদীয় কার্যক্রমের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎ সংরক্ষণের সুবিধার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

চতুর্থ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য এখন পর্যন্ত একটি সরকারি বিল পাওয়া গেছে। এছাড়া তৃতীয় অধিবেশন পরবর্তী সময়ে জারি করা তিনটি অধ্যাদেশ—পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ ২০২৬—আগামীকাল প্রথম বৈঠকেই উত্থাপন করা হবে। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যদের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বিল ও অধ্যাদেশ বিতরণ করা হয়েছে।

অধিবেশন ঘিরে প্রশ্ন জমা পড়েছে মোট ৩ হাজার ৭৫১টি, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৭৪টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ৩ হাজার ৫৭৭টি প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া বিধি-৭১ অনুযায়ী ৯২টি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের ২৮১টি নোটিশ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বিরোধী দল এবারের অধিবেশনে শ্রমিক আন্দোলন, এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার দাবি জানাতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আগামীকাল সোমবার বিকেল থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে শুরু হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই অধিবেশন ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হবে। তবে অধিবেশনের সময়সীমা বা কার্যদিবস পরিবর্তনের প্রয়োজনে স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এবারের অধিবেশনের জন্য সময় বরাদ্দ ও স্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সংসদ চত্বরকে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী, যা উপস্থিত সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করেন।

অধিবেশন ও সংসদ ভবনের আধুনিকায়ন নিয়ে বৈঠকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে। সংসদ সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া জানিয়েছেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামীকাল বিকেলে এর উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া জাতীয় সংসদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের অগ্রগতি বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, এর মাধ্যমে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যা সংসদীয় কার্যক্রমের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎ সংরক্ষণের সুবিধার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

চতুর্থ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য এখন পর্যন্ত একটি সরকারি বিল পাওয়া গেছে। এছাড়া তৃতীয় অধিবেশন পরবর্তী সময়ে জারি করা তিনটি অধ্যাদেশ—পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ ২০২৬—আগামীকাল প্রথম বৈঠকেই উত্থাপন করা হবে। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যদের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বিল ও অধ্যাদেশ বিতরণ করা হয়েছে।

অধিবেশন ঘিরে প্রশ্ন জমা পড়েছে মোট ৩ হাজার ৭৫১টি, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৭৪টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ৩ হাজার ৫৭৭টি প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া বিধি-৭১ অনুযায়ী ৯২টি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের ২৮১টি নোটিশ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বিরোধী দল এবারের অধিবেশনে শ্রমিক আন্দোলন, এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার দাবি জানাতে পারে।