*সেবা প্রতিষ্ঠান নাকি ব্যবসা কেন্দ্র?

ইফতেখার নগর প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম মহানগরে একের পর এক গড়ে উঠছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও বাস্তবে এগুলোর একটি অংশকে ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে আবাসিক ভবনে হাসপাতাল পরিচালনা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও লাইসেন্সের শর্ত মানা, চিকিৎসা ব্যয়ের মাত্রা এবং রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নগরবাসী।

অভিযোগ রয়েছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকার আবাসিক ভবনকে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রূপান্তর করে চিকিৎসাসেবা চালানোর প্রবণতা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ভবন হাসপাতাল পরিচালনার উপযোগী কি না, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না—এ বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে অস্পষ্টতা। কোথাও আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে পরে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে হাসপাতাল পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

তবে কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতালের অনুমোদন নেই—এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তা নিশ্চিতভাবে বলা সমীচীন নয়। তাই নগরবাসীর প্রশ্ন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত তদারকি কি নিয়মিত হচ্ছে?

চিকিৎসাসেবা নাকি সামর্থ্যবানদের জন্য সেবা?

বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের রোগীদের অভিযোগ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ভর্তি, কেবিন, আইসিইউ, অপারেশন, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় দ্রুত বাড়তে থাকে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—বেসরকারি হাসপাতালগুলো কি কেবল অর্থ পরিশোধে সক্ষম রোগীদের জন্যই চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করছে, নাকি দরিদ্র ও অসচ্ছল রোগীদের জন্যও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে?

আইনে বেসরকারি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে রোগীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ, নির্দিষ্ট জায়গা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-নার্সসহ বিভিন্ন শর্তের কথাও বলা হয়েছে।

লাইফ সাপোর্ট—সেবার প্রয়োজন, নাকি ব্যয়ের নতুন খাত?

মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষায় আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবা। কিন্তু রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে লাইফ সাপোর্টে থাকা রোগীর চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে তারা চরম আর্থিক চাপে পড়েন।

প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিটি হাসপাতালের আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্ট ব্যবস্থার মান, প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসা-প্রটোকল যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না। রোগীর স্বজনকে চিকিৎসার সম্ভাবনা, ঝুঁকি এবং ব্যয়ের বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হচ্ছে কি না—সেটিও দেখার বিষয়।

প্রসবসেবা ঘিরে অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের অভিযোগ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশনের হার নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হওয়ার পরও কোনো কোনো ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের দিকে রোগীকে নেওয়া হচ্ছে কি না—এ অভিযোগের বাস্তবতা যাচাই করা প্রয়োজন। তবে চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়া সিজার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতালের ক্ষেত্রে প্রমাণিত না হলেও তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত হাসপাতাল ভিত্তিক প্রসব ও সিজারিয়ান সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে অস্বাভাবিক প্রবণতা থাকলে তদন্ত করে বিধিমূলক ব্যবস্থা নেয়া।

দেখভালের দায়িত্ব কার?

বেসরকারি হাসপাতাল পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও স্বাস্থ্যবিধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভবনের ব্যবহার, অনুমোদিত নকশা ও সংশ্লিষ্ট নগর পরিকল্পনার বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। আইন অনুযায়ী বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শনের ক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর অনুমোদিত কর্মকর্তার রয়েছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থাও আইনে রয়েছে কিন্তু এসব ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ঠরা যথাযথভাবে করেনা। তাহলে নগরবাসীর প্রশ্ন—চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় কি না, কতগুলো প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে, কতগুলো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পেলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের Facility Registry-তেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের তথ্য তালিকাভুক্ত রয়েছে।

প্রয়োজন সমন্বিত অভিযান ও স্বচ্ছতা

নগরবাসীর দাবি, চট্টগ্রামের প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের ভবনের অনুমোদন, হাসপাতাল পরিচালনার লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত ছাড়পত্র, চিকিৎসক-নার্সের সংখ্যা, আইসিইউ ও অপারেশন থিয়েটারের সক্ষমতা, চিকিৎসা ব্যয়ের তালিকা এবং রোগীদের অভিযোগের রেকর্ড যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কোন প্রতিষ্ঠান কোন ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অনুমোদন পেয়েছে এবং বাস্তবে কী ধরনের সেবা দিচ্ছে—তারও সমন্বিত যাচাই প্রয়োজন।

চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই হাসপাতাল অবশ্যই একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসার মান ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে—এটাই প্রত্যাশা নগরবাসীর। আর যেখানে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

চট্টগ্রামবাসীর প্রত্যাশা একটাই—চিকিৎসার নামে যেন কেউ অসহায় রোগীর দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে এবং সেবার নামে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠান যেন কেবল বাণিজ্যিক স্বার্থের কেন্দ্র হয়ে না ওঠে।

*সেবা প্রতিষ্ঠান নাকি ব্যবসা কেন্দ্র?

ইফতেখার নগর প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম মহানগরে একের পর এক গড়ে উঠছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও বাস্তবে এগুলোর একটি অংশকে ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে আবাসিক ভবনে হাসপাতাল পরিচালনা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও লাইসেন্সের শর্ত মানা, চিকিৎসা ব্যয়ের মাত্রা এবং রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নগরবাসী।

অভিযোগ রয়েছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকার আবাসিক ভবনকে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রূপান্তর করে চিকিৎসাসেবা চালানোর প্রবণতা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ভবন হাসপাতাল পরিচালনার উপযোগী কি না, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না—এ বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে অস্পষ্টতা। কোথাও আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে পরে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে হাসপাতাল পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

তবে কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতালের অনুমোদন নেই—এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তা নিশ্চিতভাবে বলা সমীচীন নয়। তাই নগরবাসীর প্রশ্ন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত তদারকি কি নিয়মিত হচ্ছে?

চিকিৎসাসেবা নাকি সামর্থ্যবানদের জন্য সেবা?

বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের রোগীদের অভিযোগ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ভর্তি, কেবিন, আইসিইউ, অপারেশন, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় দ্রুত বাড়তে থাকে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—বেসরকারি হাসপাতালগুলো কি কেবল অর্থ পরিশোধে সক্ষম রোগীদের জন্যই চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করছে, নাকি দরিদ্র ও অসচ্ছল রোগীদের জন্যও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে?

আইনে বেসরকারি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে রোগীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ, নির্দিষ্ট জায়গা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-নার্সসহ বিভিন্ন শর্তের কথাও বলা হয়েছে।

লাইফ সাপোর্ট—সেবার প্রয়োজন, নাকি ব্যয়ের নতুন খাত?

মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষায় আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবা। কিন্তু রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে লাইফ সাপোর্টে থাকা রোগীর চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে তারা চরম আর্থিক চাপে পড়েন।

প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিটি হাসপাতালের আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্ট ব্যবস্থার মান, প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসা-প্রটোকল যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না। রোগীর স্বজনকে চিকিৎসার সম্ভাবনা, ঝুঁকি এবং ব্যয়ের বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হচ্ছে কি না—সেটিও দেখার বিষয়।

প্রসবসেবা ঘিরে অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের অভিযোগ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশনের হার নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হওয়ার পরও কোনো কোনো ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের দিকে রোগীকে নেওয়া হচ্ছে কি না—এ অভিযোগের বাস্তবতা যাচাই করা প্রয়োজন। তবে চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়া সিজার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতালের ক্ষেত্রে প্রমাণিত না হলেও তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত হাসপাতাল ভিত্তিক প্রসব ও সিজারিয়ান সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে অস্বাভাবিক প্রবণতা থাকলে তদন্ত করে বিধিমূলক ব্যবস্থা নেয়া।

দেখভালের দায়িত্ব কার?

বেসরকারি হাসপাতাল পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও স্বাস্থ্যবিধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভবনের ব্যবহার, অনুমোদিত নকশা ও সংশ্লিষ্ট নগর পরিকল্পনার বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। আইন অনুযায়ী বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শনের ক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর অনুমোদিত কর্মকর্তার রয়েছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থাও আইনে রয়েছে কিন্তু এসব ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ঠরা যথাযথভাবে করেনা। তাহলে নগরবাসীর প্রশ্ন—চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় কি না, কতগুলো প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে, কতগুলো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পেলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের Facility Registry-তেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের তথ্য তালিকাভুক্ত রয়েছে।

প্রয়োজন সমন্বিত অভিযান ও স্বচ্ছতা

নগরবাসীর দাবি, চট্টগ্রামের প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের ভবনের অনুমোদন, হাসপাতাল পরিচালনার লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত ছাড়পত্র, চিকিৎসক-নার্সের সংখ্যা, আইসিইউ ও অপারেশন থিয়েটারের সক্ষমতা, চিকিৎসা ব্যয়ের তালিকা এবং রোগীদের অভিযোগের রেকর্ড যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কোন প্রতিষ্ঠান কোন ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অনুমোদন পেয়েছে এবং বাস্তবে কী ধরনের সেবা দিচ্ছে—তারও সমন্বিত যাচাই প্রয়োজন।

চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই হাসপাতাল অবশ্যই একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসার মান ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে—এটাই প্রত্যাশা নগরবাসীর। আর যেখানে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

চট্টগ্রামবাসীর প্রত্যাশা একটাই—চিকিৎসার নামে যেন কেউ অসহায় রোগীর দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে এবং সেবার নামে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠান যেন কেবল বাণিজ্যিক স্বার্থের কেন্দ্র হয়ে না ওঠে।