নগর প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা (এম.আর) ক্যাচ-আপ টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

হামের প্রাদুর্ভাব রোধে দ্বিতীয় দফায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া সকল শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনতে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্য সময়ে (শুক্রবার ও সরকারী ছুটি ব্যতীত) সরকার টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

এম.আর ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ একরাম হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ আশিক আমান, হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক-নার্সবৃন্দ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিভিশনাল কোর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রু চৌধুরী, এসআইএমও ডা. খাদিজা আহমেদ, ইউনিসেফ ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট ডা. সরওয়ার আলম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, বর্তমান সময়ে সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শিশুদেরকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার সারাদেশে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া শিশুদের জন্য দ্বিতীয় দফায় বিশেষ পর্যায়ে হাম-রুবেলা (এমআর) ক্যাচ-আপ টিকাদান ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগে বাদ পড়া এ বয়সী ১ লাখ ৯১ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তন্মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৪৪ হাজারের অধিক ও মহানগরে ৩২ হাজারের অধিক শিশুকে হামের টিকা দেয়া হবে। অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে এ বয়সের ১০ লাখ শিশু এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আসে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে রের স্টেশন, বাস স্টেশন, নৌ-ঘাটসহ যে কোন স্থানে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী কোন শিশু এ টিকা না পেয়ে থাকলে তাকে এ বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে। এ বয়সের কোন শিশু হামের টিকা থেকে বাদ যাবে না। এ লক্ষ্যে সকল প্রস্তুুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের জন্য এটি সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের গত ৫ এপ্রিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে প্রথম দফায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করে মন্ত্রণালয়। এ ক্যাম্পেইন ২০ মে পর্যন্ত চলমান ছিল। এর পর ২১ মে থেকে আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া শিশুদেরকে এমআর টিকার আওতায় নিয়ে আসি। সে সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ৪৮ লাখ শিশুকে এমআর টিকার আওতায় নিয়ে আসা হয়।

নগর প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা (এম.আর) ক্যাচ-আপ টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

হামের প্রাদুর্ভাব রোধে দ্বিতীয় দফায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া সকল শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনতে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্য সময়ে (শুক্রবার ও সরকারী ছুটি ব্যতীত) সরকার টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

এম.আর ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ একরাম হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ আশিক আমান, হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক-নার্সবৃন্দ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিভিশনাল কোর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রু চৌধুরী, এসআইএমও ডা. খাদিজা আহমেদ, ইউনিসেফ ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট ডা. সরওয়ার আলম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, বর্তমান সময়ে সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শিশুদেরকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার সারাদেশে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া শিশুদের জন্য দ্বিতীয় দফায় বিশেষ পর্যায়ে হাম-রুবেলা (এমআর) ক্যাচ-আপ টিকাদান ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগে বাদ পড়া এ বয়সী ১ লাখ ৯১ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তন্মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৪৪ হাজারের অধিক ও মহানগরে ৩২ হাজারের অধিক শিশুকে হামের টিকা দেয়া হবে। অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে এ বয়সের ১০ লাখ শিশু এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আসে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে রের স্টেশন, বাস স্টেশন, নৌ-ঘাটসহ যে কোন স্থানে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী কোন শিশু এ টিকা না পেয়ে থাকলে তাকে এ বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে। এ বয়সের কোন শিশু হামের টিকা থেকে বাদ যাবে না। এ লক্ষ্যে সকল প্রস্তুুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের জন্য এটি সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের গত ৫ এপ্রিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে প্রথম দফায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করে মন্ত্রণালয়। এ ক্যাম্পেইন ২০ মে পর্যন্ত চলমান ছিল। এর পর ২১ মে থেকে আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া শিশুদেরকে এমআর টিকার আওতায় নিয়ে আসি। সে সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ৪৮ লাখ শিশুকে এমআর টিকার আওতায় নিয়ে আসা হয়।