উয়েফা নেশনস লিগের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচকে সামনে রেখে ৩১ সদস্যের বড় স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি। শক্তিশালী ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে লড়তে অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার সংমিশ্রণে দল গঠন করেছেন আজ্জুরি কোচ। ভবিষ্যৎ জাতীয় দল পুনর্গঠন ও তরুণদের পরখ করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেশ কয়েকজন অনভিষিক্ত ও নতুন মুখকে এই স্কোয়াডে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

মানচিনির নতুন কৌশলে ডাক পাওয়া তরুণ ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন আলফাদজো সিসে, সিমোন লোনতানি ও রিকার্দো কাসানো। এছাড়া কোমোর মাত্তিয়া লিবেরালি এবং প্যারিস এফসির ফরোয়ার্ড লুকা কোলেওশোকে ডাক দেওয়া হয়েছে। দলে সুযোগ পেয়েছেন ক্রিস্টাল প্যালেসের ডিফেন্ডার অনেস্ট আহানোরও। গত জুনে সিলভিও বালদিনির অধীনে দুটি প্রীতি ম্যাচে আহানোর অংশ নিলেও প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখনও তাঁর অভিষেক ঘটেনি। সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলের স্কোয়াডে জায়গা পেলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি এই ডিফেন্ডার; পরবর্তীতে তিনি অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে অংশ নেন। সিনিয়র ফুটবলে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অপেক্ষায় থাকবেন এই উদীয়মান ফুটবলাররা।

উয়েফা নেশনস লিগের চলতি গ্রুপে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট তুলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ইতালি। সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফ্রান্স এবং ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম। অন্যদিকে গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করছে তুরস্ক। আগামী বৃহস্পতিবার মিলানে ঘরের মাঠে শক্তিশালী ফ্রান্সকে আতিথ্য দেবে ইতালি। এরপর ১৫ নভেম্বর রোববার বেলজিয়ামের মাঠে খেলতে নামবে আজ্জুরিরা। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে এই দুটি ম্যাচই ইতালির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

নতুন ফুটবলারদের সুযোগ দেওয়া হলেও দলের অভিজ্ঞ মূল কাঠামোয় বড় কোনো পরিবর্তন আনেননি মানচিনি। পোস্টের নিচে যথারীতি ভরসা রাখা হয়েছে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার ওপর। রক্ষণভাগের নেতৃত্বে থাকবেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি ও রিকার্দো কালাফিওরি। আর মাঝমাঠে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন নিকোলো বারেল্লা, সান্দ্রো তোনালি ও ফেদেরিকো দিমার্কো। তবে ইনজুরির কারণে স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেছেন নাপোলির অধিনায়ক জিওভান্নি দি লরেঞ্জো। জুভেন্টাসের কাছে নাপোলির ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে চোট পান তিনি, যার ফলে প্রথমার্ধের বিরতির পরই তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। অন্যদিকে চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার মার্কো পালেস্ত্রা। মৌসুমের শুরুতে ইনজুরিতে পড়লেও সাম্প্রতিক সময়ে চেলসির একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন তিনি, যা ইতালির রাইট-ব্যাক পজিশনে শক্তি বাড়াবে।

গোলরক্ষক: মার্কো কার্নেসেক্কি, জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা, গুগলিয়েলমো ভিকারিও।ডিফেন্ডার: অনেস্ট আহানোর, আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, রিকার্দো কালাফিওরি, ফেদেরিকো দিমার্কো, দানিয়েলে গিলার্দি, মাইকেল কায়োদে, জিয়ানলুকা মানচিনি, মার্কো পালেস্ত্রা, জর্জিও স্কালভিনি।মিডফিল্ডার: নিকোলো বারেল্লা, রিকার্দো কাসানো, ইসা দুম্বিয়া, নিকোলো ফাজিওলি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি, সিমোন লোনতানি, নিকোলো পিসில்லி, সামুয়েলে রিচ্চি, আলেসান্দ্রো রোমানো, সান্দ্রো তোনালি।ফরোয়ার্ড: নিকোলো কামবিয়াগি, আলফাদজো সিসে, ফ্রানচেস্কো পিও এস্পোসিতো, সেবাস্তিয়ানো এস্পোসিতো, লুকা কোলেওশো, মাত্তিয়া লিবেরালি, জিয়ানলুকা স্কামাক্কা, আন্তোনিও ভেরগারা, নিকোলো জানিওলো।

উয়েফা নেশনস লিগের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচকে সামনে রেখে ৩১ সদস্যের বড় স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি। শক্তিশালী ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে লড়তে অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার সংমিশ্রণে দল গঠন করেছেন আজ্জুরি কোচ। ভবিষ্যৎ জাতীয় দল পুনর্গঠন ও তরুণদের পরখ করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেশ কয়েকজন অনভিষিক্ত ও নতুন মুখকে এই স্কোয়াডে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

মানচিনির নতুন কৌশলে ডাক পাওয়া তরুণ ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন আলফাদজো সিসে, সিমোন লোনতানি ও রিকার্দো কাসানো। এছাড়া কোমোর মাত্তিয়া লিবেরালি এবং প্যারিস এফসির ফরোয়ার্ড লুকা কোলেওশোকে ডাক দেওয়া হয়েছে। দলে সুযোগ পেয়েছেন ক্রিস্টাল প্যালেসের ডিফেন্ডার অনেস্ট আহানোরও। গত জুনে সিলভিও বালদিনির অধীনে দুটি প্রীতি ম্যাচে আহানোর অংশ নিলেও প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখনও তাঁর অভিষেক ঘটেনি। সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলের স্কোয়াডে জায়গা পেলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি এই ডিফেন্ডার; পরবর্তীতে তিনি অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে অংশ নেন। সিনিয়র ফুটবলে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অপেক্ষায় থাকবেন এই উদীয়মান ফুটবলাররা।

উয়েফা নেশনস লিগের চলতি গ্রুপে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট তুলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ইতালি। সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফ্রান্স এবং ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম। অন্যদিকে গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করছে তুরস্ক। আগামী বৃহস্পতিবার মিলানে ঘরের মাঠে শক্তিশালী ফ্রান্সকে আতিথ্য দেবে ইতালি। এরপর ১৫ নভেম্বর রোববার বেলজিয়ামের মাঠে খেলতে নামবে আজ্জুরিরা। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে এই দুটি ম্যাচই ইতালির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

নতুন ফুটবলারদের সুযোগ দেওয়া হলেও দলের অভিজ্ঞ মূল কাঠামোয় বড় কোনো পরিবর্তন আনেননি মানচিনি। পোস্টের নিচে যথারীতি ভরসা রাখা হয়েছে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার ওপর। রক্ষণভাগের নেতৃত্বে থাকবেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি ও রিকার্দো কালাফিওরি। আর মাঝমাঠে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন নিকোলো বারেল্লা, সান্দ্রো তোনালি ও ফেদেরিকো দিমার্কো। তবে ইনজুরির কারণে স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেছেন নাপোলির অধিনায়ক জিওভান্নি দি লরেঞ্জো। জুভেন্টাসের কাছে নাপোলির ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে চোট পান তিনি, যার ফলে প্রথমার্ধের বিরতির পরই তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। অন্যদিকে চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার মার্কো পালেস্ত্রা। মৌসুমের শুরুতে ইনজুরিতে পড়লেও সাম্প্রতিক সময়ে চেলসির একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন তিনি, যা ইতালির রাইট-ব্যাক পজিশনে শক্তি বাড়াবে।

গোলরক্ষক: মার্কো কার্নেসেক্কি, জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা, গুগলিয়েলমো ভিকারিও।ডিফেন্ডার: অনেস্ট আহানোর, আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, রিকার্দো কালাফিওরি, ফেদেরিকো দিমার্কো, দানিয়েলে গিলার্দি, মাইকেল কায়োদে, জিয়ানলুকা মানচিনি, মার্কো পালেস্ত্রা, জর্জিও স্কালভিনি।মিডফিল্ডার: নিকোলো বারেল্লা, রিকার্দো কাসানো, ইসা দুম্বিয়া, নিকোলো ফাজিওলি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি, সিমোন লোনতানি, নিকোলো পিসில்லி, সামুয়েলে রিচ্চি, আলেসান্দ্রো রোমানো, সান্দ্রো তোনালি।ফরোয়ার্ড: নিকোলো কামবিয়াগি, আলফাদজো সিসে, ফ্রানচেস্কো পিও এস্পোসিতো, সেবাস্তিয়ানো এস্পোসিতো, লুকা কোলেওশো, মাত্তিয়া লিবেরালি, জিয়ানলুকা স্কামাক্কা, আন্তোনিও ভেরগারা, নিকোলো জানিওলো।