কক্সবাজারের টেকনাফের গহিন পাহাড়ে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়ায় নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার আসরের নামাজের পর রামু সেনানিবাসে জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর একটি হেলিকপ্টারে করে মরদেহটি গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।

এর আগে শুক্রবার সকালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে নিহত তিতাসের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পরে সেখান থেকে মরদেহটি রামু সেনানিবাসে হস্তান্তর করা হয়েছিল। নিহত সেনাসদস্য তিতাস শেখ ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের আফজাল হোসেনের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার টেকনাফের পাহাড়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ বাহিনীর অভিযানে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলির সময় তিনি প্রাণ হারান।

এদিকে এই অভিযানের পর পাহাড়ের জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার পাওয়া ৫৬ জনকে শুক্রবার দুপুরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা ৬ মানবপাচারকারীকেও সোপর্দ করেছে যৌথ বাহিনী।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত ৫৬ জনকে থানায় এনে তাদের নাম-পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাদের স্বজনদের কাছে তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ওসি আরও উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ৫৭ জন জিম্মিকে উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে নিবিড়ভাবে তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে একজন প্রকৃতপক্ষে দালাল চক্রের সদস্য ছিলেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের গহিন পাহাড়ে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়ায় নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার আসরের নামাজের পর রামু সেনানিবাসে জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর একটি হেলিকপ্টারে করে মরদেহটি গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।

এর আগে শুক্রবার সকালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে নিহত তিতাসের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পরে সেখান থেকে মরদেহটি রামু সেনানিবাসে হস্তান্তর করা হয়েছিল। নিহত সেনাসদস্য তিতাস শেখ ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের আফজাল হোসেনের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার টেকনাফের পাহাড়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ বাহিনীর অভিযানে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলির সময় তিনি প্রাণ হারান।

এদিকে এই অভিযানের পর পাহাড়ের জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার পাওয়া ৫৬ জনকে শুক্রবার দুপুরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা ৬ মানবপাচারকারীকেও সোপর্দ করেছে যৌথ বাহিনী।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত ৫৬ জনকে থানায় এনে তাদের নাম-পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাদের স্বজনদের কাছে তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ওসি আরও উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ৫৭ জন জিম্মিকে উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে নিবিড়ভাবে তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে একজন প্রকৃতপক্ষে দালাল চক্রের সদস্য ছিলেন।