একটি জার্সি, অসংখ্য স্মৃতি আর ইতিহাসের পাতায় লেখা গোলের গল্প—সবকিছুর সমাপ্তি টেনে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের সাত নম্বর জার্সিতে তাকে আর মাঠে দেখা যাবে না। এই ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সাবেক ক্লাব, সতীর্থ এবং প্রতিদ্বন্দ্বীরা ফুটবলের এই মহাতারকার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নানা স্মৃতিচারণ করছেন।

৪১ বছর বয়সি রোনালদো ২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পা রাখেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দেশের জার্সিতে ২৩৪টি ম্যাচ খেলে ১৪৬টি গোল করেছেন। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ গোল—উভয় রেকর্ডই এখন তার দখলে। তার নেতৃত্বে পর্তুগাল ২০১৬ সালে ইউরো এবং ২০১৯ ও ২০২৫ সালে নেশনস লিগ জয়ের গৌরব অর্জন করে। আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখবেন।

রোনালদোর এই বিদায়ে তার সাবেক ক্লাবগুলো আবেগঘন বার্তা দিয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তাদের দুই মেয়াদের এই খেলোয়াড়কে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছে, 'অসাধারণ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য অভিনন্দন। অবসর জীবন উপভোগ করো।' শৈশবের ক্লাব স্পোর্টিং সিপি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছে, 'আমাদের দেশের জন্য তুমি যা কিছু করেছ, তার সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। পর্তুগালের ইতিহাসে তুমি চিরকাল থাকবে।' এছাড়াও জুভেন্টাস তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

সতীর্থদের বার্তায় ছিল ব্যক্তিগত আবেগ ও গভীর শ্রদ্ধা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও পর্তুগাল দলে রোনালদোর সতীর্থ ব্রুনো ফের্নান্দেস তাকে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ছোটবেলার আদর্শের সঙ্গে জাতীয় দলে খেলতে পারা তার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। ন্যানি তাকে পর্তুগিজদের গর্ব হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, রোনালদোই তার কাছে সর্বকালের সেরা। তিনি আরো উল্লেখ করেন, রোনালদোর কারণেই তারা বিশ্বাস করতে শিখেছিলেন যে পর্তুগিজ হয়েও বিশ্বের সেরা হওয়া সম্ভব।

ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার তাকে 'কিংবদন্তি' হিসেবে সম্বোধন করেছেন এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাছে রোনালদো 'চিরকাল এক নম্বর'। দীর্ঘদিনের সতীর্থ পেপে লিখেছেন, 'এটা ফুটবলের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, ক্রিস।' রিও ফার্দিনান্দ তার পুরো ক্যারিয়ারকে একটি সিনেমার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, রোনালদোর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারকে যথাযথ সম্মান জানাতে বিশেষ আয়োজন করা হবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্তেনেগ্রোও তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ক্লাব ফুটবলে রোনালদো এখনো সক্রিয়। ৯৮৫ গোল নিয়ে তিনি এখন হাজার গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছুটছেন। তাই ফেডারেশন তার পরবর্তী লক্ষ্যের জন্য শুভকামনা জানিয়ে বলেছে, 'এবার হাজারতম গোলের লক্ষ্যে এগিয়ে যাও!'

একটি জার্সি, অসংখ্য স্মৃতি আর ইতিহাসের পাতায় লেখা গোলের গল্প—সবকিছুর সমাপ্তি টেনে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের সাত নম্বর জার্সিতে তাকে আর মাঠে দেখা যাবে না। এই ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সাবেক ক্লাব, সতীর্থ এবং প্রতিদ্বন্দ্বীরা ফুটবলের এই মহাতারকার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নানা স্মৃতিচারণ করছেন।

৪১ বছর বয়সি রোনালদো ২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পা রাখেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দেশের জার্সিতে ২৩৪টি ম্যাচ খেলে ১৪৬টি গোল করেছেন। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ গোল—উভয় রেকর্ডই এখন তার দখলে। তার নেতৃত্বে পর্তুগাল ২০১৬ সালে ইউরো এবং ২০১৯ ও ২০২৫ সালে নেশনস লিগ জয়ের গৌরব অর্জন করে। আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখবেন।

রোনালদোর এই বিদায়ে তার সাবেক ক্লাবগুলো আবেগঘন বার্তা দিয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তাদের দুই মেয়াদের এই খেলোয়াড়কে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছে, 'অসাধারণ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য অভিনন্দন। অবসর জীবন উপভোগ করো।' শৈশবের ক্লাব স্পোর্টিং সিপি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছে, 'আমাদের দেশের জন্য তুমি যা কিছু করেছ, তার সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। পর্তুগালের ইতিহাসে তুমি চিরকাল থাকবে।' এছাড়াও জুভেন্টাস তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

সতীর্থদের বার্তায় ছিল ব্যক্তিগত আবেগ ও গভীর শ্রদ্ধা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও পর্তুগাল দলে রোনালদোর সতীর্থ ব্রুনো ফের্নান্দেস তাকে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ছোটবেলার আদর্শের সঙ্গে জাতীয় দলে খেলতে পারা তার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। ন্যানি তাকে পর্তুগিজদের গর্ব হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, রোনালদোই তার কাছে সর্বকালের সেরা। তিনি আরো উল্লেখ করেন, রোনালদোর কারণেই তারা বিশ্বাস করতে শিখেছিলেন যে পর্তুগিজ হয়েও বিশ্বের সেরা হওয়া সম্ভব।

ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার তাকে 'কিংবদন্তি' হিসেবে সম্বোধন করেছেন এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাছে রোনালদো 'চিরকাল এক নম্বর'। দীর্ঘদিনের সতীর্থ পেপে লিখেছেন, 'এটা ফুটবলের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, ক্রিস।' রিও ফার্দিনান্দ তার পুরো ক্যারিয়ারকে একটি সিনেমার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, রোনালদোর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারকে যথাযথ সম্মান জানাতে বিশেষ আয়োজন করা হবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্তেনেগ্রোও তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ক্লাব ফুটবলে রোনালদো এখনো সক্রিয়। ৯৮৫ গোল নিয়ে তিনি এখন হাজার গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছুটছেন। তাই ফেডারেশন তার পরবর্তী লক্ষ্যের জন্য শুভকামনা জানিয়ে বলেছে, 'এবার হাজারতম গোলের লক্ষ্যে এগিয়ে যাও!'