নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জেরে আবুল কালাম নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে নৃশংসভাবে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা তাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তার বাম পায়ের রগ কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে তারাবো পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, আবুল কালাম উত্তর মাসাবো এলাকার বাসিন্দা। তিনি মূলত এপিবিএন-এ কর্মরত এবং পাঁচ বছর আগে ঢাকায় বদলি হন; এর আগে তিনি হবিগঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন। এলাকায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তিনি বরাবরই সোচ্চার ছিলেন, যার ফলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল এবং তিনি বিভিন্ন সময়ে হুমকির মুখেও ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল মোবাইল ফোনে কল করে আবুল কালামকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তাকে মাসাবো এলাকার একটি বিলের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা শাহজালালসহ ১০ থেকে ১২ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে মারধরের পাশাপাশি কুপিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয় এবং একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাম পায়ের রগ কেটে দেয়।

আবুল কালামের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগ দাখিল করা হলে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জেরে আবুল কালাম নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে নৃশংসভাবে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা তাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তার বাম পায়ের রগ কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে তারাবো পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, আবুল কালাম উত্তর মাসাবো এলাকার বাসিন্দা। তিনি মূলত এপিবিএন-এ কর্মরত এবং পাঁচ বছর আগে ঢাকায় বদলি হন; এর আগে তিনি হবিগঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন। এলাকায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তিনি বরাবরই সোচ্চার ছিলেন, যার ফলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল এবং তিনি বিভিন্ন সময়ে হুমকির মুখেও ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল মোবাইল ফোনে কল করে আবুল কালামকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তাকে মাসাবো এলাকার একটি বিলের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা শাহজালালসহ ১০ থেকে ১২ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে মারধরের পাশাপাশি কুপিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয় এবং একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাম পায়ের রগ কেটে দেয়।

আবুল কালামের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগ দাখিল করা হলে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।