সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আগাম সতর্কতা জারির কিছুক্ষণ পরই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, রিয়াদের আর্থিক জেলায় সৌদি তেল কোম্পানি আরামকোর একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, রিয়াদ ও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসা দুটি হুথি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বিভিন্ন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে মোট ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়েছে।

হুথিদের দাবি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেলের সংরক্ষণাগার এবং আরামকোর একটি তেল পরিশোধন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এরপর খুরাইস এলাকায় আরামকোর স্থাপনা এবং দাওয়াদমি এলাকার আট নম্বর পাম্পিং স্টেশনে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া নজরান এলাকায় সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের শিবির, আল-জাওফ অঞ্চলের পূর্বাঞ্চল এবং ইয়েমেনের মারিব প্রদেশসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সৌদি সেনাদের লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, এসব হামলায় সৌদি বাহিনীর বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন, তবে এই তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দাবি করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি আরব ১০৫টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। হুথিদের ভাষ্যমতে, সংঘাত শুরুর পর থেকে ইয়েমেনে সৌদি হামলার সংখ্যা ৪ হাজার ৩৬৯টিতে দাঁড়িয়েছে। ইয়াহিয়া সারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে তাদের হামলা অব্যাহত থাকবে এবং অবরোধ ও উত্তেজনার জবাব একইভাবে দেওয়া হবে।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হুথিদের এই সামরিক সহায়তার জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছে এবং লেবাননের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জুবা দুই দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। এদিকে, নতুন এই সংঘাতের ফলে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের এই সর্বশেষ দফা শুরুর পর গত অক্টোবর পর্যন্ত ২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আগাম সতর্কতা জারির কিছুক্ষণ পরই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, রিয়াদের আর্থিক জেলায় সৌদি তেল কোম্পানি আরামকোর একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, রিয়াদ ও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসা দুটি হুথি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বিভিন্ন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে মোট ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়েছে।

হুথিদের দাবি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেলের সংরক্ষণাগার এবং আরামকোর একটি তেল পরিশোধন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এরপর খুরাইস এলাকায় আরামকোর স্থাপনা এবং দাওয়াদমি এলাকার আট নম্বর পাম্পিং স্টেশনে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া নজরান এলাকায় সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের শিবির, আল-জাওফ অঞ্চলের পূর্বাঞ্চল এবং ইয়েমেনের মারিব প্রদেশসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সৌদি সেনাদের লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, এসব হামলায় সৌদি বাহিনীর বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন, তবে এই তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দাবি করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি আরব ১০৫টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। হুথিদের ভাষ্যমতে, সংঘাত শুরুর পর থেকে ইয়েমেনে সৌদি হামলার সংখ্যা ৪ হাজার ৩৬৯টিতে দাঁড়িয়েছে। ইয়াহিয়া সারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে তাদের হামলা অব্যাহত থাকবে এবং অবরোধ ও উত্তেজনার জবাব একইভাবে দেওয়া হবে।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হুথিদের এই সামরিক সহায়তার জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছে এবং লেবাননের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জুবা দুই দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। এদিকে, নতুন এই সংঘাতের ফলে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের এই সর্বশেষ দফা শুরুর পর গত অক্টোবর পর্যন্ত ২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।