সিলেট টেস্টে চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশি স্পিনারদের হতাশ করে এই সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৩১ রান তুলে নেয় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশন শেষে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২ উইকেটে ২৫৯ রান, যার ফলে তাদের সামগ্রিক লিড পৌঁছে গেছে ২২৯ রানে।

এর আগে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ ২টি উইকেট তুলে নেওয়ার পর ধারণা করা হয়েছিল সিলেটের উইকেট ধীরে ধীরে স্পিনারদের অনুকূলে আসছে। তবে দ্বিতীয় সেশনে স্বাগতিক বোলারদের সেই আশা গুঁড়িয়ে দেন কাভেম হজ ও কেভিন উইকহ্যাম। পুরো সেশনে ২৮ ওভার বোলিং করেও বাংলাদেশি বোলাররা কোনো উইকেটের দেখা পাননি। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দূরে অবস্থান করছেন হজ (৯৩ রানে অপরাজিত), অন্যদিকে অপরাজিত ৬৩ রানে খেলছেন উইকহ্যাম। উইকেটে জমে যাওয়া এই দুই ব্যাটারের জুটিতে ইতিমধ্যেই উঠে গেছে ১৪০ রান।

এর আগে চতুর্থ দিনের খেলায় প্রথম উইকেট শিকার করেছিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় ৮৫ রানের মাথায় তিনি জশুয়া ডি সিলভাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। প্রথম সাফল্যের পরপরই দলীয় ৯৫ রানে উইন্ডিজের ওপর আরও চাপ সৃষ্টির সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তাইজুলের বলে শর্ট কাভারে ব্রেন্ডন কিংয়ের ক্যাচটি হাতে জমাতে পারেননি তাওহীদ হৃদয়।

তবে কিংকে ফেরাতে খুব বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ১১৯ রানের মাথায় মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ব্রেন্ডন কিং। উল্লেখ্য, ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫৬ রান সংগ্রহ করার পর বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রান তুলে ৩০ রানের ছোট লিড পেয়েছিল।

সিলেট টেস্টে চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশি স্পিনারদের হতাশ করে এই সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৩১ রান তুলে নেয় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশন শেষে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২ উইকেটে ২৫৯ রান, যার ফলে তাদের সামগ্রিক লিড পৌঁছে গেছে ২২৯ রানে।

এর আগে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ ২টি উইকেট তুলে নেওয়ার পর ধারণা করা হয়েছিল সিলেটের উইকেট ধীরে ধীরে স্পিনারদের অনুকূলে আসছে। তবে দ্বিতীয় সেশনে স্বাগতিক বোলারদের সেই আশা গুঁড়িয়ে দেন কাভেম হজ ও কেভিন উইকহ্যাম। পুরো সেশনে ২৮ ওভার বোলিং করেও বাংলাদেশি বোলাররা কোনো উইকেটের দেখা পাননি। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দূরে অবস্থান করছেন হজ (৯৩ রানে অপরাজিত), অন্যদিকে অপরাজিত ৬৩ রানে খেলছেন উইকহ্যাম। উইকেটে জমে যাওয়া এই দুই ব্যাটারের জুটিতে ইতিমধ্যেই উঠে গেছে ১৪০ রান।

এর আগে চতুর্থ দিনের খেলায় প্রথম উইকেট শিকার করেছিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় ৮৫ রানের মাথায় তিনি জশুয়া ডি সিলভাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। প্রথম সাফল্যের পরপরই দলীয় ৯৫ রানে উইন্ডিজের ওপর আরও চাপ সৃষ্টির সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তাইজুলের বলে শর্ট কাভারে ব্রেন্ডন কিংয়ের ক্যাচটি হাতে জমাতে পারেননি তাওহীদ হৃদয়।

তবে কিংকে ফেরাতে খুব বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ১১৯ রানের মাথায় মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ব্রেন্ডন কিং। উল্লেখ্য, ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫৬ রান সংগ্রহ করার পর বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রান তুলে ৩০ রানের ছোট লিড পেয়েছিল।