যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তার রাজনৈতিক কৌশলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নীতির অনুসারী হওয়ার পরিবর্তে ভ্যান্স এখন নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসছেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি ট্রাম্প-পরবর্তী রিপাবলিকান নেতৃত্বের দৌড়ে নিজেকে শক্তিশালী করার একটি কৌশল হতে পারে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে গত সেপ্টেম্বরের রিপাবলিকান সম্মেলনের পরবর্তী ছয়টি ভাষণ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভ্যান্স তার প্রচারণায় অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ, সংযত পররাষ্ট্রনীতি এবং জননিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। তবে ট্রাম্পের অত্যন্ত পরিচিত ও বিতর্কিত নীতিগুলো, যেমন অভিবাসীদের গণবহিষ্কার বা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি অনেকটা নীরব থাকছেন। পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, জনমত জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাটার কারণে রিপাবলিকান প্রার্থীদের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতেই ভ্যান্স এই কৌশলগত পরিবর্তন এনেছেন।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স তার অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন। তিনি রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে দায়ী করে দ্রুত যুদ্ধ অবসানের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, পররাষ্ট্রনীতি পুনর্মূল্যায়ন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। যেখানে ট্রাম্প জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগকে ডেমোক্র্যাটদের ‘প্রতারণা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, সেখানে ভ্যান্স এটিকে দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে তুলে ধরছেন।

হোয়াইট হাউস ও ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠ তিন ব্যক্তির দাবি, এই বক্তব্য ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের কোনো ইঙ্গিত নয়। তাদের তথ্যমতে, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস আগেই ভ্যান্সের এই পোস্ট সম্পর্কে অবগত ছিলেন। এদিকে ট্রাম্প শুক্রবার সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে স্টিফেন মিলারকে দায়িত্ব দিয়েছেন, যা ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতিগুলো আরও জোরালো করার ইঙ্গিত দেয়। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রিপাবলিকানদের ক্ষতি হয়েছে বলে ট্রাম্প স্বীকার করলেও, যুদ্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কৌশলবিদদের মতে, ভ্যান্সের এই নতুন অবস্থান তাকে ট্রাম্প-পরবর্তী রক্ষণশীল রাজনীতির সম্ভাব্য প্রধান মুখ হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে ডেমোক্র্যাট কৌশলবিদ ইগর ভলস্কির মতে, ২০২৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে ট্রাম্পের সমর্থন যেমন প্রয়োজন, তেমনি সাধারণ নির্বাচনে জেতার জন্য তার বিতর্কিত নীতি থেকে দূরে থাকা—এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা ভ্যান্সের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

নির্বাচনের পর রিপাবলিকান নেতাদের মধ্যে পরাজয়ের কারণ নিয়ে মতভেদ দেখা দিয়েছে। সিনেটর টেড ক্রুজ জীবনযাত্রার ব্যয় ইস্যুকে দায়ী করেছেন, অন্যদিকে রন ডিস্যান্টিস ট্রান্সজেন্ডার ইস্যু ও প্রযুক্তিগত উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ভ্যান্স ট্রাম্পের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে পুঁজি করেও নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরির চেষ্টা করছেন, তবে তার এই কৌশল ২০২৮ সালের নির্বাচনে কতটা কার্যকর হবে তা এখনো অনিশ্চিত।

ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা ‘মাগা’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এসব নীতি সামনে এলেও বর্তমানে ভ্যান্সই এগুলোর অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হয়ে উঠেছেন।মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন ৪২ বছর বয়সী এই ভাইস প্রেসিডেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তার রাজনৈতিক কৌশলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নীতির অনুসারী হওয়ার পরিবর্তে ভ্যান্স এখন নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসছেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি ট্রাম্প-পরবর্তী রিপাবলিকান নেতৃত্বের দৌড়ে নিজেকে শক্তিশালী করার একটি কৌশল হতে পারে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে গত সেপ্টেম্বরের রিপাবলিকান সম্মেলনের পরবর্তী ছয়টি ভাষণ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভ্যান্স তার প্রচারণায় অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ, সংযত পররাষ্ট্রনীতি এবং জননিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। তবে ট্রাম্পের অত্যন্ত পরিচিত ও বিতর্কিত নীতিগুলো, যেমন অভিবাসীদের গণবহিষ্কার বা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি অনেকটা নীরব থাকছেন। পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, জনমত জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাটার কারণে রিপাবলিকান প্রার্থীদের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতেই ভ্যান্স এই কৌশলগত পরিবর্তন এনেছেন।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স তার অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন। তিনি রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে দায়ী করে দ্রুত যুদ্ধ অবসানের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, পররাষ্ট্রনীতি পুনর্মূল্যায়ন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। যেখানে ট্রাম্প জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগকে ডেমোক্র্যাটদের ‘প্রতারণা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, সেখানে ভ্যান্স এটিকে দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে তুলে ধরছেন।

হোয়াইট হাউস ও ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠ তিন ব্যক্তির দাবি, এই বক্তব্য ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের কোনো ইঙ্গিত নয়। তাদের তথ্যমতে, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস আগেই ভ্যান্সের এই পোস্ট সম্পর্কে অবগত ছিলেন। এদিকে ট্রাম্প শুক্রবার সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে স্টিফেন মিলারকে দায়িত্ব দিয়েছেন, যা ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতিগুলো আরও জোরালো করার ইঙ্গিত দেয়। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রিপাবলিকানদের ক্ষতি হয়েছে বলে ট্রাম্প স্বীকার করলেও, যুদ্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কৌশলবিদদের মতে, ভ্যান্সের এই নতুন অবস্থান তাকে ট্রাম্প-পরবর্তী রক্ষণশীল রাজনীতির সম্ভাব্য প্রধান মুখ হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে ডেমোক্র্যাট কৌশলবিদ ইগর ভলস্কির মতে, ২০২৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে ট্রাম্পের সমর্থন যেমন প্রয়োজন, তেমনি সাধারণ নির্বাচনে জেতার জন্য তার বিতর্কিত নীতি থেকে দূরে থাকা—এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা ভ্যান্সের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

নির্বাচনের পর রিপাবলিকান নেতাদের মধ্যে পরাজয়ের কারণ নিয়ে মতভেদ দেখা দিয়েছে। সিনেটর টেড ক্রুজ জীবনযাত্রার ব্যয় ইস্যুকে দায়ী করেছেন, অন্যদিকে রন ডিস্যান্টিস ট্রান্সজেন্ডার ইস্যু ও প্রযুক্তিগত উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ভ্যান্স ট্রাম্পের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে পুঁজি করেও নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরির চেষ্টা করছেন, তবে তার এই কৌশল ২০২৮ সালের নির্বাচনে কতটা কার্যকর হবে তা এখনো অনিশ্চিত।

ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা ‘মাগা’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এসব নীতি সামনে এলেও বর্তমানে ভ্যান্সই এগুলোর অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হয়ে উঠেছেন।মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন ৪২ বছর বয়সী এই ভাইস প্রেসিডেন্ট।