ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল আহাদ বর্তমানে ভোলা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগে স্নাতক তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে নিজের দিনের পরিকল্পনা সাজানোর পাশাপাশি তিনি প্রথম আলো, যমুনা টিভি ও সময় টিভির মতো গণমাধ্যমগুলোর সংবাদের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের পরিস্থিতির খবর রাখেন। তবে সকালের শুরুতেই যুদ্ধ, সহিংসতা, দুর্নীতি ও জলবায়ু সংকটের মতো নেতিবাচক খবর পড়তে গিয়ে তিনি এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করেন, যা তাকে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়।

আহাদের মতে, বর্তমান সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনার পরিবেশের অভাব রয়েছে, ফলে অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের মানসিক কষ্টের কথা প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করেন। তিনি এমন একটি সমাজ প্রত্যাশা করেন যেখানে মানুষ নির্ভয়ে নিজের সমস্যার কথা বলতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি তিনি সাহিত্য ও পত্রিকা পড়তে ভালোবাসেন এবং তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চেয়ে পত্রিকার ওপরই বেশি আস্থা রাখেন। তিনি মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার সময় নষ্টের পাশাপাশি ভুয়া তথ্যের বিস্তার ঘটায় এবং অন্যের সঙ্গে নিজের জীবনের অপ্রয়োজনীয় তুলনা তৈরি করে, তাই এটি ব্যবহারে সচেতন থাকা জরুরি।

সফলতার সংজ্ঞায় আহাদ চাকরি বা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে মানসিক শান্তি, সৃষ্টিকর্তার ইবাদত, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং কাজের সন্তুষ্টিকে বেশি গুরুত্ব দেন। তার মতে, জেন-জি প্রজন্মের কাছে আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিস্বাধীনতা ও নিজের পছন্দের কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগকে তিনি ভীতির পরিবর্তে নতুন সুযোগ হিসেবে দেখেন এবং প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ হয়ে ওঠার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, অনেকেই জেন-জি প্রজন্মকে অস্থির বলে সমালোচনা করলেও, এই প্রজন্ম প্রশ্ন করতে জানে, নতুন চিন্তার সাহস রাখে এবং পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। তবে তাদের সততা ধরে রাখার পরীক্ষাও তাদের দিতে হয়। তার একজন শিক্ষকের কথা উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘সুযোগের অভাবে সবাই সৎ’—এই বিষয়টি তাকে সব সময় দায়িত্বশীল থাকার কথা মনে করিয়ে দেয়।

ভোলার বাসিন্দা হিসেবে তিনি নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করছেন। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন করে তোলে। তিনি সমাজ থেকে কুসংস্কার, বৈষম্য ও সংকীর্ণতা দূর করে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং বাক্স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার চর্চা শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও, আহাদ অর্জিত জ্ঞান দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চান। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত, দুর্নীতিমুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখেন। তার বিশ্বাস, দলমত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সব প্রজন্ম যদি সততা, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে, তবেই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল আহাদ বর্তমানে ভোলা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগে স্নাতক তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে নিজের দিনের পরিকল্পনা সাজানোর পাশাপাশি তিনি প্রথম আলো, যমুনা টিভি ও সময় টিভির মতো গণমাধ্যমগুলোর সংবাদের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের পরিস্থিতির খবর রাখেন। তবে সকালের শুরুতেই যুদ্ধ, সহিংসতা, দুর্নীতি ও জলবায়ু সংকটের মতো নেতিবাচক খবর পড়তে গিয়ে তিনি এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করেন, যা তাকে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়।

আহাদের মতে, বর্তমান সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনার পরিবেশের অভাব রয়েছে, ফলে অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের মানসিক কষ্টের কথা প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করেন। তিনি এমন একটি সমাজ প্রত্যাশা করেন যেখানে মানুষ নির্ভয়ে নিজের সমস্যার কথা বলতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি তিনি সাহিত্য ও পত্রিকা পড়তে ভালোবাসেন এবং তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চেয়ে পত্রিকার ওপরই বেশি আস্থা রাখেন। তিনি মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার সময় নষ্টের পাশাপাশি ভুয়া তথ্যের বিস্তার ঘটায় এবং অন্যের সঙ্গে নিজের জীবনের অপ্রয়োজনীয় তুলনা তৈরি করে, তাই এটি ব্যবহারে সচেতন থাকা জরুরি।

সফলতার সংজ্ঞায় আহাদ চাকরি বা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে মানসিক শান্তি, সৃষ্টিকর্তার ইবাদত, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং কাজের সন্তুষ্টিকে বেশি গুরুত্ব দেন। তার মতে, জেন-জি প্রজন্মের কাছে আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিস্বাধীনতা ও নিজের পছন্দের কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগকে তিনি ভীতির পরিবর্তে নতুন সুযোগ হিসেবে দেখেন এবং প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ হয়ে ওঠার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, অনেকেই জেন-জি প্রজন্মকে অস্থির বলে সমালোচনা করলেও, এই প্রজন্ম প্রশ্ন করতে জানে, নতুন চিন্তার সাহস রাখে এবং পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। তবে তাদের সততা ধরে রাখার পরীক্ষাও তাদের দিতে হয়। তার একজন শিক্ষকের কথা উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘সুযোগের অভাবে সবাই সৎ’—এই বিষয়টি তাকে সব সময় দায়িত্বশীল থাকার কথা মনে করিয়ে দেয়।

ভোলার বাসিন্দা হিসেবে তিনি নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করছেন। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন করে তোলে। তিনি সমাজ থেকে কুসংস্কার, বৈষম্য ও সংকীর্ণতা দূর করে নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং বাক্স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার চর্চা শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও, আহাদ অর্জিত জ্ঞান দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চান। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত, দুর্নীতিমুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখেন। তার বিশ্বাস, দলমত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সব প্রজন্ম যদি সততা, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে, তবেই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।