দশমিনা উপজেলার ৫ নং বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মোসা. সখির বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে তিনি বহরমপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেছেন। ভোটার এলাকা পরিবর্তনের পরও তিনি বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোসা. সখির ভোটার এলাকা পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের তথ্য গোপন রেখে তিনি বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, যা স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ও বিধিবিধান লঙ্ঘনের শামিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত ফরমে বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু ঢালী এবং ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান মৃধার স্বাক্ষর রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোসা. সখি তা অস্বীকার করে বলেন, আমি ভোটার এলাকা পরিবর্তন করিনি। বর্তমানে আমি বহরমপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার। আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওই ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান শাহীন জানান, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য যে তথ্য গোপন করে ভোটার ট্রান্সফার করেছেন, সে বিষয়ে আমি অবগত নই। আপনার মাধ্যমে বিষয়টি প্রথম জানলাম। আমরা আরও ভালোভাবে জেনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠাবো।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ হাওলাদার জানান, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য যদি তথ্য গোপন রেখে ভোটার ট্রান্সফার করে থাকেন, তাহলে তিনি অন্যায় করেছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহমুদ হাসান মৃধা জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি প্রথম শুনেছেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সঠিক তথ্য পেলে জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর একটি লিখিত আবেদন পাঠাবেন।

দশমিনা উপজেলার ৫ নং বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মোসা. সখির বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে তিনি বহরমপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেছেন। ভোটার এলাকা পরিবর্তনের পরও তিনি বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোসা. সখির ভোটার এলাকা পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের তথ্য গোপন রেখে তিনি বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, যা স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ও বিধিবিধান লঙ্ঘনের শামিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত ফরমে বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু ঢালী এবং ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান মৃধার স্বাক্ষর রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোসা. সখি তা অস্বীকার করে বলেন, আমি ভোটার এলাকা পরিবর্তন করিনি। বর্তমানে আমি বহরমপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার। আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওই ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান শাহীন জানান, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য যে তথ্য গোপন করে ভোটার ট্রান্সফার করেছেন, সে বিষয়ে আমি অবগত নই। আপনার মাধ্যমে বিষয়টি প্রথম জানলাম। আমরা আরও ভালোভাবে জেনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠাবো।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ হাওলাদার জানান, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য যদি তথ্য গোপন রেখে ভোটার ট্রান্সফার করে থাকেন, তাহলে তিনি অন্যায় করেছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহমুদ হাসান মৃধা জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি প্রথম শুনেছেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সঠিক তথ্য পেলে জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর একটি লিখিত আবেদন পাঠাবেন।