রংপুর নগরীর হাজীপাড়া এলাকায় ট্রাকচাপায় সুজন ইসলাম (২২) নামের এক তরুণ টেকনোলজিস্টের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুজন পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সাদ্দামের মোড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বিয়ের মাত্র এক বছর পেরোতেই তাঁর এমন আকস্মিক প্রয়াণে স্ত্রী, পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে দেবীগঞ্জের সাদ্দামের মোড়ের বাড়ি থেকে রংপুরের উদ্দেশে বের হন সুজন। দুপুরে হাজীপাড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাঁকে চাপা দেয়। এতে তাঁর বুক ও হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় দুর্ঘটনার নির্মম দৃশ্যটি ধারণ হয়েছে বলে নিহতের স্বজনেরা জানিয়েছেন।

পেশাগত জীবনে সুজন 'স্মার্ট ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে' টেকনোলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তিনি সেখানে যুক্ত ছিলেন এবং কর্মদক্ষতা ও সুব্যবহারের জন্য সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শনিবার রাতে রংপুর কোতোয়ালি থানা থেকে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ দেবীগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছায়। পরদিন রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নিজ বাড়ির পাশে সুজনের জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

রংপুর নগরীর হাজীপাড়া এলাকায় ট্রাকচাপায় সুজন ইসলাম (২২) নামের এক তরুণ টেকনোলজিস্টের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুজন পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সাদ্দামের মোড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বিয়ের মাত্র এক বছর পেরোতেই তাঁর এমন আকস্মিক প্রয়াণে স্ত্রী, পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে দেবীগঞ্জের সাদ্দামের মোড়ের বাড়ি থেকে রংপুরের উদ্দেশে বের হন সুজন। দুপুরে হাজীপাড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাঁকে চাপা দেয়। এতে তাঁর বুক ও হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় দুর্ঘটনার নির্মম দৃশ্যটি ধারণ হয়েছে বলে নিহতের স্বজনেরা জানিয়েছেন।

পেশাগত জীবনে সুজন 'স্মার্ট ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে' টেকনোলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তিনি সেখানে যুক্ত ছিলেন এবং কর্মদক্ষতা ও সুব্যবহারের জন্য সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শনিবার রাতে রংপুর কোতোয়ালি থানা থেকে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ দেবীগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছায়। পরদিন রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নিজ বাড়ির পাশে সুজনের জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।