ওমান উপসাগরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত একটি কার্গো জাহাজ থেকে ২২ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ন্যাশনাল গার্ড। উদ্ধার পাওয়া সমুদ্রকর্মীদের সবাই আরব বিভিন্ন দেশের নাগরিক এবং তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই উদ্ধার তৎপরতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কার্গো জাহাজটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই নাবিকেরা জরুরি সহায়তার বার্তা পাঠান। সসংকেত পাওয়ার পর ন্যাশনাল গার্ডের বিশেষায়িত একটি দল দ্রুত জাহাজটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করে এবং সেখানে থাকা ২২ জন নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করে বের করে আনে।

উদ্ধারের পরপরই জাহাজের নাবিকদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে কার্গো জাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়েছিল, সে সম্পর্কিত কোনো বিবরণ এখনো প্রকাশ করেনি ইউএই ন্যাশনাল গার্ড।

এই ঘটনার কিছু আগে হরমুজ প্রণালির কাছে সমুদ্রের মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায় বলে দাবি করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইরানি সামরিক সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, ঐ তেলবাহী জাহাজ দুটি নিজেদের নৌচলাচল ও অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (ট্র্যাকিং সিস্টেম) বন্ধ রেখে অননুমোদিত নৌপথ ব্যবহারে লিপ্ত ছিল। একাধিক আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালির পূর্বদিকে এবং অন্যটি প্রণালির ভেতরের অংশে সমুদ্রের মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে আইআরজিসি জানায়। তবে ওমান উপসাগরে আগুনে আক্রান্ত এই কার্গো জাহাজটির সঙ্গে আইআরজিসির দাবি করা তেল ট্যাংকার দুটির কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সে বিষয়ে আমিরাতের বিবৃতিতে কোনো স্পষ্টতা দেওয়া হয়নি।

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮: ২৬আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮: ২৭

ওমান উপসাগরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত একটি কার্গো জাহাজ থেকে ২২ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ন্যাশনাল গার্ড। উদ্ধার পাওয়া সমুদ্রকর্মীদের সবাই আরব বিভিন্ন দেশের নাগরিক এবং তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই উদ্ধার তৎপরতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কার্গো জাহাজটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই নাবিকেরা জরুরি সহায়তার বার্তা পাঠান। সসংকেত পাওয়ার পর ন্যাশনাল গার্ডের বিশেষায়িত একটি দল দ্রুত জাহাজটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করে এবং সেখানে থাকা ২২ জন নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করে বের করে আনে।

উদ্ধারের পরপরই জাহাজের নাবিকদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে কার্গো জাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়েছিল, সে সম্পর্কিত কোনো বিবরণ এখনো প্রকাশ করেনি ইউএই ন্যাশনাল গার্ড।

এই ঘটনার কিছু আগে হরমুজ প্রণালির কাছে সমুদ্রের মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায় বলে দাবি করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইরানি সামরিক সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, ঐ তেলবাহী জাহাজ দুটি নিজেদের নৌচলাচল ও অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (ট্র্যাকিং সিস্টেম) বন্ধ রেখে অননুমোদিত নৌপথ ব্যবহারে লিপ্ত ছিল। একাধিক আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালির পূর্বদিকে এবং অন্যটি প্রণালির ভেতরের অংশে সমুদ্রের মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে আইআরজিসি জানায়। তবে ওমান উপসাগরে আগুনে আক্রান্ত এই কার্গো জাহাজটির সঙ্গে আইআরজিসির দাবি করা তেল ট্যাংকার দুটির কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সে বিষয়ে আমিরাতের বিবৃতিতে কোনো স্পষ্টতা দেওয়া হয়নি।

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮: ২৬আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮: ২৭