ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরাজিত মহল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী ও জনবিরোধী যে গোষ্ঠীটি দেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের অধিকার, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র চালিয়েছিল, দেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে। তবে সেই পরাজিত শক্তিই আবার নতুন করে চক্রান্তের মাধ্যমে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এসে পৌঁছানোর পর এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপির এই শোভাযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি অতিক্রম করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সেখানে একটি ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে দলের নেতাকর্মী ও উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশবাসীকে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজ এই ঐতিহাসিক দিবসে সবাইকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে, যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা হবে। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ টিকে থাকা পর্যন্ত এই বিপ্লবের ধারা ও র‍্যালি অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরাজিত মহল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী ও জনবিরোধী যে গোষ্ঠীটি দেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের অধিকার, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র চালিয়েছিল, দেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে। তবে সেই পরাজিত শক্তিই আবার নতুন করে চক্রান্তের মাধ্যমে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এসে পৌঁছানোর পর এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপির এই শোভাযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি অতিক্রম করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সেখানে একটি ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে দলের নেতাকর্মী ও উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশবাসীকে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজ এই ঐতিহাসিক দিবসে সবাইকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে, যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা হবে। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ টিকে থাকা পর্যন্ত এই বিপ্লবের ধারা ও র‍্যালি অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।