রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মেট্রোরেলের মিরপুর–১০ ও মিরপুর–১১ নম্বর স্টেশন দুটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন দুটিতে ট্রেন থামা ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুনরায় ট্রেন চলাচল ও স্টেশন কার্যক্রম শুরু হয়।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মেট্রোরেল পুলিশের পক্ষ থেকে পাওয়া সতর্কতামূলক পরামর্শের ভিত্তিতেই দুটি স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময়ে স্টেশন দুটির সবকটি গেট বন্ধ ছিল। ফলে কোনো যাত্রী স্টেশনে ঢুকতে পারেননি এবং ট্রেন না থামায় কেউ নামতেও পারেননি। তবে এই সময়েও উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটজুড়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল এবং অন্য সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা মঙ্গলবার টানা তৃতীয় দিনের মতো সকাল ১০টার কিছু পরে মিরপুরে সড়কে নামেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত কাঠ ও বাঁশে আগুন দিলে নিচের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষ থেমে যায়।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, এ ধরনের পদক্ষেপকে সংস্থাটি স্টেশন ‘স্কিপ’ করা হিসেবে উল্লেখ করে। এর অর্থ হলো ট্রেন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করলেও নির্দিষ্ট স্টেশনগুলোতে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। এর আগে গত রোববারও নিরাপত্তার কারণে কাজীপাড়া, মিরপুর–১০ ও পল্লবী মেট্রো স্টেশন দুই ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ রাখা হয়েছিল।

.বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি .ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, মেট্রোরেল পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্কতার অংশ হিসেবে দুটি স্টেশন বন্ধ রাখার পরামর্শ আসে।গত রোববারও কাজীপাড়া, মিরপুর–১০ ও পল্লবী মেট্রো স্টেশন দুই ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা হয়।

শুধু দুটি স্টেশনে যাত্রী ওঠা–নামা বন্ধ থাকবে।.আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ আটক-গ্রেপ্তার ৪৯ জন

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মেট্রোরেলের মিরপুর–১০ ও মিরপুর–১১ নম্বর স্টেশন দুটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন দুটিতে ট্রেন থামা ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুনরায় ট্রেন চলাচল ও স্টেশন কার্যক্রম শুরু হয়।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মেট্রোরেল পুলিশের পক্ষ থেকে পাওয়া সতর্কতামূলক পরামর্শের ভিত্তিতেই দুটি স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময়ে স্টেশন দুটির সবকটি গেট বন্ধ ছিল। ফলে কোনো যাত্রী স্টেশনে ঢুকতে পারেননি এবং ট্রেন না থামায় কেউ নামতেও পারেননি। তবে এই সময়েও উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটজুড়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল এবং অন্য সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা মঙ্গলবার টানা তৃতীয় দিনের মতো সকাল ১০টার কিছু পরে মিরপুরে সড়কে নামেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত কাঠ ও বাঁশে আগুন দিলে নিচের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষ থেমে যায়।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, এ ধরনের পদক্ষেপকে সংস্থাটি স্টেশন ‘স্কিপ’ করা হিসেবে উল্লেখ করে। এর অর্থ হলো ট্রেন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করলেও নির্দিষ্ট স্টেশনগুলোতে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। এর আগে গত রোববারও নিরাপত্তার কারণে কাজীপাড়া, মিরপুর–১০ ও পল্লবী মেট্রো স্টেশন দুই ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ রাখা হয়েছিল।

.বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি .ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, মেট্রোরেল পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্কতার অংশ হিসেবে দুটি স্টেশন বন্ধ রাখার পরামর্শ আসে।গত রোববারও কাজীপাড়া, মিরপুর–১০ ও পল্লবী মেট্রো স্টেশন দুই ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা হয়।

শুধু দুটি স্টেশনে যাত্রী ওঠা–নামা বন্ধ থাকবে।.আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ আটক-গ্রেপ্তার ৪৯ জন