ভোলার নদীপথে জেলার বাইরে পাঠানোর সন্দেহে ২৯০ বস্তা সরকারি বরাদ্দকৃত সার আটকে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন সারগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় একটি গোডাউনে রেখে সেটি সিলগালা করে দেয়। মঙ্গলবার রাতে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর ইলিশা গ্রামের দারগার খাল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, ভোলার চাষিদের জন্য বরাদ্দ সরকারি টিএসপি ও ডিএপি সার বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশে পার্শ্ববর্তী জেলা মাদারীপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই রাতে নদীপথে পাঠানোর সময় সন্দেহ হলে একটি ট্রলার এবং একটি নসিমন গাড়ি থেকে বস্তাগুলো আটক করা হয়। আটককৃত প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে টিএসপি ও ডিএপি সার ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তবে সারের অবৈধ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিবহনে জড়িত ব্যক্তিরা। ট্রলারের মাঝি শহীদ দাবি করেন, চর ইলিশা গ্রামের রফিক মাঝি ও মন্নান নামের দুই ব্যক্তি বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ‘মেসার্স মিজান ট্রেডার্স’ থেকে এসব সার কিনেছেন। তিনি কেবল বিভিন্ন চরের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগুলো পরিবহন করছিলেন। কৃষক রফিকও একই দাবি করে বলেন, চরাঞ্চলে চাষাবাদের কাজে ব্যবহারের জন্যই সারগুলো কেনা হয়েছিল এবং স্থানীয়রা ভুল বুঝে সেগুলো আটক করেছে। তবে সার কেনার সপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মূল্য পরিশোধের রসিদ প্রদর্শন করতে পারেননি তিনি।

এদিকে সারের চালান নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের প্রশ্ন। স্থানীয় কৃষক মাইনুদ্দিন জানান, ট্রলারের মাঝি শহীদের কাছ থেকে পাওয়া একটি রসিদে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা দরে ৮০ বস্তা ডিএপি সারের দাম মোট ৮৪ হাজার টাকা উল্লেখ ছিল। মাইনুদ্দিন প্রশ্ন তোলেন, ৮০ বস্তার রসিদ প্রদর্শিত হলে বাকি ২১০ বস্তা সার কোথা থেকে এবং কীভাবে এল? সাধারণ কৃষকদের কাছে স্বল্পমূল্যে সার না দিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বাইরে পাচারের দায়ে তিনি জড়িতদের শাস্তি এবং সংশ্লিষ্ট ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানান। অপর কৃষক মাকসুদ অভিযোগ করেন, ডিলাররা অনেক সময় সাধারণ কৃষকদের নামে ভুয়া ভাউচার বানিয়ে সরকারি সার উত্তোলন করে বাইরে চড়া দামে বিক্রি করে দেন। এর ফলে মাঠে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং স্থানীয় কৃষকরা সময়মতো প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। সারের দাম বারবার বেড়ে যাওয়ায় চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলেও জানান স্থানীয় চাষিরা।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে ডিলার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মিজানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, ডিলার পয়েন্টের বরাতে জানা গেছে সারগুলো ভেলুমিয়া, ভেদুরিয়া এবং বরিশালের আলিমাবাদ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে তরমুজ, ক্যাপসিকাম, চিচিঙ্গা ও শসা চাষের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। কোনো কৃষক বা ডিলার ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সার তুলেছেন কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হবে এবং সত্যতা মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উদ্ধার অভিযান পরিচালনা শেষে ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাশ জানান, তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা সারের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখানো সম্ভব হয়নি। ফলে সারগুলো একটি স্থানীয় গোডাউনে রেখে সিলগালা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোলার নদীপথে জেলার বাইরে পাঠানোর সন্দেহে ২৯০ বস্তা সরকারি বরাদ্দকৃত সার আটকে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন সারগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় একটি গোডাউনে রেখে সেটি সিলগালা করে দেয়। মঙ্গলবার রাতে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর ইলিশা গ্রামের দারগার খাল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, ভোলার চাষিদের জন্য বরাদ্দ সরকারি টিএসপি ও ডিএপি সার বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশে পার্শ্ববর্তী জেলা মাদারীপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই রাতে নদীপথে পাঠানোর সময় সন্দেহ হলে একটি ট্রলার এবং একটি নসিমন গাড়ি থেকে বস্তাগুলো আটক করা হয়। আটককৃত প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে টিএসপি ও ডিএপি সার ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তবে সারের অবৈধ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিবহনে জড়িত ব্যক্তিরা। ট্রলারের মাঝি শহীদ দাবি করেন, চর ইলিশা গ্রামের রফিক মাঝি ও মন্নান নামের দুই ব্যক্তি বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ‘মেসার্স মিজান ট্রেডার্স’ থেকে এসব সার কিনেছেন। তিনি কেবল বিভিন্ন চরের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগুলো পরিবহন করছিলেন। কৃষক রফিকও একই দাবি করে বলেন, চরাঞ্চলে চাষাবাদের কাজে ব্যবহারের জন্যই সারগুলো কেনা হয়েছিল এবং স্থানীয়রা ভুল বুঝে সেগুলো আটক করেছে। তবে সার কেনার সপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মূল্য পরিশোধের রসিদ প্রদর্শন করতে পারেননি তিনি।

এদিকে সারের চালান নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের প্রশ্ন। স্থানীয় কৃষক মাইনুদ্দিন জানান, ট্রলারের মাঝি শহীদের কাছ থেকে পাওয়া একটি রসিদে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা দরে ৮০ বস্তা ডিএপি সারের দাম মোট ৮৪ হাজার টাকা উল্লেখ ছিল। মাইনুদ্দিন প্রশ্ন তোলেন, ৮০ বস্তার রসিদ প্রদর্শিত হলে বাকি ২১০ বস্তা সার কোথা থেকে এবং কীভাবে এল? সাধারণ কৃষকদের কাছে স্বল্পমূল্যে সার না দিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বাইরে পাচারের দায়ে তিনি জড়িতদের শাস্তি এবং সংশ্লিষ্ট ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানান। অপর কৃষক মাকসুদ অভিযোগ করেন, ডিলাররা অনেক সময় সাধারণ কৃষকদের নামে ভুয়া ভাউচার বানিয়ে সরকারি সার উত্তোলন করে বাইরে চড়া দামে বিক্রি করে দেন। এর ফলে মাঠে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং স্থানীয় কৃষকরা সময়মতো প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। সারের দাম বারবার বেড়ে যাওয়ায় চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলেও জানান স্থানীয় চাষিরা।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে ডিলার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মিজানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, ডিলার পয়েন্টের বরাতে জানা গেছে সারগুলো ভেলুমিয়া, ভেদুরিয়া এবং বরিশালের আলিমাবাদ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে তরমুজ, ক্যাপসিকাম, চিচিঙ্গা ও শসা চাষের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। কোনো কৃষক বা ডিলার ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সার তুলেছেন কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হবে এবং সত্যতা মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উদ্ধার অভিযান পরিচালনা শেষে ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাশ জানান, তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা সারের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখানো সম্ভব হয়নি। ফলে সারগুলো একটি স্থানীয় গোডাউনে রেখে সিলগালা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।