যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস। আগামী জানুয়ারিতে এই পদে নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে দলের ভেতরের বিভিন্ন মতপার্থক্য ও নেতৃত্বের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

২০১৩ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রবীণ কৃষ্ণাঙ্গ ডেমোক্র্যাট নেতারা জেফরিসের মধ্যে নেতৃত্বের সম্ভাবনা লক্ষ্য করেছিলেন। সাবেক কংগ্রেস সদস্য এডি বার্নি জনসন তাকে ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ন্যান্সি পেলোসির উত্তরসূরি হিসেবে জেফরিসকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

স্পিকার নির্বাচিত হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দুই বছরে তিনি ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্ব দেবেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও তিনি অবস্থান নিতে আগ্রহী। তার সম্ভাব্য এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে ধনীদের ওপর কর বৃদ্ধি, ন্যূনতম মজুরি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো, সুপ্রিম কোর্টের জন্য কঠোর নৈতিকতা বিধি প্রণয়ন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণেও তিনি গুরুত্ব দিতে চান।

তবে দলের তরুণ ও বামপন্থি নেতাদের সমর্থন আদায় করা জেফরিসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মেডিকেয়ার ফর অল এবং ইসরাইল ইস্যুতে তার মধ্যপন্থি অবস্থানের কারণে প্রগতিশীল অংশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অন্যদিকে, দলের মধ্যপন্থিরা অতিরিক্ত বিতর্ক এড়িয়ে অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়সংক্রান্ত ইস্যুতে মনোযোগী হওয়ার পক্ষে। এছাড়া দলীয় নেতৃত্বে প্রজন্মগত পরিবর্তনের চাপও বাড়ছে, যেখানে কমিটির চেয়ারম্যানদের মেয়াদসীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা দলটির দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠতাভিত্তিক নেতৃত্ব কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে, দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সামলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কার্যকর বিরোধী ভূমিকা পালন করা এবং আগামী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান শক্তিশালী করাই হবে জেফরিসের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস। আগামী জানুয়ারিতে এই পদে নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে দলের ভেতরের বিভিন্ন মতপার্থক্য ও নেতৃত্বের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

২০১৩ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রবীণ কৃষ্ণাঙ্গ ডেমোক্র্যাট নেতারা জেফরিসের মধ্যে নেতৃত্বের সম্ভাবনা লক্ষ্য করেছিলেন। সাবেক কংগ্রেস সদস্য এডি বার্নি জনসন তাকে ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ন্যান্সি পেলোসির উত্তরসূরি হিসেবে জেফরিসকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

স্পিকার নির্বাচিত হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দুই বছরে তিনি ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্ব দেবেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও তিনি অবস্থান নিতে আগ্রহী। তার সম্ভাব্য এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে ধনীদের ওপর কর বৃদ্ধি, ন্যূনতম মজুরি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো, সুপ্রিম কোর্টের জন্য কঠোর নৈতিকতা বিধি প্রণয়ন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণেও তিনি গুরুত্ব দিতে চান।

তবে দলের তরুণ ও বামপন্থি নেতাদের সমর্থন আদায় করা জেফরিসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মেডিকেয়ার ফর অল এবং ইসরাইল ইস্যুতে তার মধ্যপন্থি অবস্থানের কারণে প্রগতিশীল অংশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অন্যদিকে, দলের মধ্যপন্থিরা অতিরিক্ত বিতর্ক এড়িয়ে অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়সংক্রান্ত ইস্যুতে মনোযোগী হওয়ার পক্ষে। এছাড়া দলীয় নেতৃত্বে প্রজন্মগত পরিবর্তনের চাপও বাড়ছে, যেখানে কমিটির চেয়ারম্যানদের মেয়াদসীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা দলটির দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠতাভিত্তিক নেতৃত্ব কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে, দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সামলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কার্যকর বিরোধী ভূমিকা পালন করা এবং আগামী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান শক্তিশালী করাই হবে জেফরিসের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ।