দক্ষিণী অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে সম্প্রতি তেলেগু সিনেমায় কাজ করার কঠিন অভিজ্ঞতার কথা খোলামেলাভাবে শেয়ার করেছেন। সহশিল্পী কীর্তি সুরেশের সঙ্গে ‘আক্কা’ ওয়েব সিরিজের প্রচারের সময় জুমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং চরিত্র ছিল এমন একটি তেলেগু সিনেমায় অভিনয় করা, যেখানে তাকে তার মামার সঙ্গে রোমান্সে জড়াতে হয়। যদিও তিনি সিনেমার নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবে তার বর্ণনা অনুযায়ী সেটি বয়াপতি শ্রীনু পরিচালিত ২০১৪ সালের সিনেমা ‘লেজেন্ড’।
রাধিকা জানান, সিনেমাটির প্রায় সবকিছুই তার অপছন্দ ছিল। বিশেষ করে বয়সে অনেক বড় সহশিল্পীর সঙ্গে রোমান্সের দৃশ্য ধারণ করা তার জন্য ছিল বেশ কঠিন। তিনি বিষয়টিকে পুরুষতান্ত্রিক পরিবেশের একটি অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। উল্লেখ্য, ‘লেজেন্ড’ সিনেমা মুক্তির সময় নন্দমুরি বালাকৃষ্ণের বয়স ছিল ৫৪ বছর এবং রাধিকার বয়স ছিল ২৯ বছর। সিনেমাটিতে রাধিকা মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ের দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন।
সাক্ষাৎকারে রাধিকা আরও জানান, সিনেমার মাঝামাঝি সময়ে তার চরিত্রের মৃত্যু হয়। সেই অ্যাকশন দৃশ্যে তাকে কাঁধের ওপর দিয়ে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, যা তার জন্য অস্বস্তিকর ছিল। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টি ছিল তার কাছে বেশ কঠিন। রাধিকা তার ক্যারিয়ারে মোট চারটি তেলেগু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০১০ সালে ‘রক্ত চরিত্র’ দিয়ে তার অভিষেক হয়, এরপর ২০১২ সালে ‘ধোনি’, ২০১৪ সালে ‘লেজেন্ড’ এবং ২০১৫ সালে ‘লায়ন’ সিনেমায় তাকে দেখা গেছে।
গায়ের রঙের বৈষম্য নিয়েও সম্প্রতি গালাট্টার এক সাক্ষাৎকারে সরব হয়েছেন রাধিকা। তিনি বলেন, দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় অনেক উত্তর ভারতীয় অভিনেত্রীকে কাস্ট করার কারণ তাদের ফর্সা গায়ের রং, যা তার কাছে আপত্তিকর। তিনি শুধুমাত্র বিশেষ কোনো কারণে নির্বাচন করা হলেই দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় কাজ করতে আগ্রহী, কারণ তিনি নিজেকে এই ইন্ডাস্ট্রির জন্য উপযুক্ত মনে করেন না।




