বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন যে, জনগণের অধিকার ও প্রবাসীদের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল জামায়াতের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারামুক্তির উপলক্ষ্যে।

ডা. শফিকুর রহমান জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা, লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট এবং মালামাল চুরির মতো সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এক মাস তিন দিন কারাভোগের পর আখতারুজ্জামান মুক্তি পেয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের সহিংসতা না করা সত্ত্বেও আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাকে আঘাত করার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। তবে তার প্রতিবাদের ফলে বিমানবন্দরে নতুন ট্রলি সংযোজন, লাগেজ বেল্টে ক্যামেরা এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের মতো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার সুফল যাত্রীরা পাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যেভাবে রিমান্ডে নেওয়া ও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার না চালিয়ে জনগণের সমস্যা সমাধানে মনোযোগী হওয়ার জন্য।

অনুষ্ঠানে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তার কারাবন্দি অবস্থার বর্ণনা দিয়ে অভিযোগ করেন যে, রিমান্ডে থাকাকালীন তার চোখ বেঁধে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক বিষয় অনুসন্ধানের এখতিয়ার পুলিশকে কে দিয়েছে? আইনি লড়াইয়ের বিষয়ে তিনি জানান, নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষ তা চেম্বার আদালতে নিয়েছিল। তিনি প্রবাসীদের জন্য একটি রিসিপশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, মুক্তিলাভের পর পাশে থাকার জন্য তিনি জামায়াতে ইসলামী, দেশবাসী ও প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন যে, জনগণের অধিকার ও প্রবাসীদের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল জামায়াতের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারামুক্তির উপলক্ষ্যে।

ডা. শফিকুর রহমান জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা, লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট এবং মালামাল চুরির মতো সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এক মাস তিন দিন কারাভোগের পর আখতারুজ্জামান মুক্তি পেয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের সহিংসতা না করা সত্ত্বেও আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাকে আঘাত করার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। তবে তার প্রতিবাদের ফলে বিমানবন্দরে নতুন ট্রলি সংযোজন, লাগেজ বেল্টে ক্যামেরা এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের মতো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার সুফল যাত্রীরা পাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যেভাবে রিমান্ডে নেওয়া ও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার না চালিয়ে জনগণের সমস্যা সমাধানে মনোযোগী হওয়ার জন্য।

অনুষ্ঠানে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তার কারাবন্দি অবস্থার বর্ণনা দিয়ে অভিযোগ করেন যে, রিমান্ডে থাকাকালীন তার চোখ বেঁধে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক বিষয় অনুসন্ধানের এখতিয়ার পুলিশকে কে দিয়েছে? আইনি লড়াইয়ের বিষয়ে তিনি জানান, নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষ তা চেম্বার আদালতে নিয়েছিল। তিনি প্রবাসীদের জন্য একটি রিসিপশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, মুক্তিলাভের পর পাশে থাকার জন্য তিনি জামায়াতে ইসলামী, দেশবাসী ও প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।