নীলফামারীর সৈয়দপুরে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কাকলী রানী দাস (২৪) নামের এক গৃহবধূ। জন্ম নেওয়া নবজাতকদের মধ্যে দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। গত রোববার দুপুরে সৈয়দপুর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার নিউ এভারকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই শিশুদের জন্ম হয়। বর্তমানে মা ও তিন নবজাতকই সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

কাকলী রানী দাস দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ডাঙ্গারহাট গ্রামের চক সন্ন্যাসী শাহাপাড়ার টাইলস মিস্ত্রি বিদ্যুৎ চন্দ্র দাসের (২৮) স্ত্রী। এক সঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ার খবরে পরিবারে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। সোমবার (২ নভেম্বর) চিকিৎসাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, একটি বেডে পাশাপাশি ঘুমিয়ে রয়েছে তিন নবজাতক। তিন সন্তানের বাবা হয়ে আবেগাপ্লুত বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস বলেন, ‘ভগবান যেন একসঙ্গে অনেক কৃপা করেছেন। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সবাই আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন, যেন তারা সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে।’

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই কাকলী রানী দাস নিউ এভারকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ এবং সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. নাহিদ আকতারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শাওন আহমেদ জানান, গত শনিবার কাকলী রানীকে ভর্তি করা হয়। পরে ডা. নাহিদ আক্তার বৃষ্টির তত্ত্বাবধানে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। তিনি আরও বলেন, একসঙ্গে তিন নবজাতকের জন্ম তাঁদের চিকিৎসাকেন্দ্রের জন্যও আনন্দের ও স্মরণীয় একটি ঘটনা এবং মা ও নবজাতকদের সুস্থতাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অস্ত্রোপচার পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. নাহিদ আকতার জানান, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কাকলী রানী দাসের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে মা ও তিনটি সন্তানই সুস্থ রয়েছে। তবে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় মা ও শিশুদের বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ডা. নাহিদ আকতার বলেন, ‘একজন চিকিৎসক হিসেবে মা ও নবজাতকদের নিরাপদে সুস্থ রাখা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সফল অস্ত্রোপচারের পর তিন নবজাতককে একসঙ্গে সুস্থ অবস্থায় দেখতে পাওয়া সত্যিই আনন্দের ও তৃপ্তির। আশা করছি, আরও কয়েকদিন প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে মা ও শিশুরা সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারবেন।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কাকলী রানী দাস (২৪) নামের এক গৃহবধূ। জন্ম নেওয়া নবজাতকদের মধ্যে দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। গত রোববার দুপুরে সৈয়দপুর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার নিউ এভারকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই শিশুদের জন্ম হয়। বর্তমানে মা ও তিন নবজাতকই সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

কাকলী রানী দাস দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ডাঙ্গারহাট গ্রামের চক সন্ন্যাসী শাহাপাড়ার টাইলস মিস্ত্রি বিদ্যুৎ চন্দ্র দাসের (২৮) স্ত্রী। এক সঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ার খবরে পরিবারে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। সোমবার (২ নভেম্বর) চিকিৎসাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, একটি বেডে পাশাপাশি ঘুমিয়ে রয়েছে তিন নবজাতক। তিন সন্তানের বাবা হয়ে আবেগাপ্লুত বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস বলেন, ‘ভগবান যেন একসঙ্গে অনেক কৃপা করেছেন। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সবাই আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন, যেন তারা সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে।’

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই কাকলী রানী দাস নিউ এভারকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ এবং সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. নাহিদ আকতারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শাওন আহমেদ জানান, গত শনিবার কাকলী রানীকে ভর্তি করা হয়। পরে ডা. নাহিদ আক্তার বৃষ্টির তত্ত্বাবধানে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। তিনি আরও বলেন, একসঙ্গে তিন নবজাতকের জন্ম তাঁদের চিকিৎসাকেন্দ্রের জন্যও আনন্দের ও স্মরণীয় একটি ঘটনা এবং মা ও নবজাতকদের সুস্থতাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অস্ত্রোপচার পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. নাহিদ আকতার জানান, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কাকলী রানী দাসের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে মা ও তিনটি সন্তানই সুস্থ রয়েছে। তবে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় মা ও শিশুদের বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ডা. নাহিদ আকতার বলেন, ‘একজন চিকিৎসক হিসেবে মা ও নবজাতকদের নিরাপদে সুস্থ রাখা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সফল অস্ত্রোপচারের পর তিন নবজাতককে একসঙ্গে সুস্থ অবস্থায় দেখতে পাওয়া সত্যিই আনন্দের ও তৃপ্তির। আশা করছি, আরও কয়েকদিন প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে মা ও শিশুরা সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারবেন।’