নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে (পিপিপি) চলা ডায়ালাইসিস সেবা বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। এ নিয়ে চিকিৎসাধীন ২৭৬ জন কিডনি রোগী চরম উদ্বেগে আছেন।তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন আশ্বস্ত করেছেন, এই সেবা কোনোভাবেই বন্ধ হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশন থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ক্রমবর্ধমান কিডনি রোগীদের কথা বিবেচনা করে ২০১৭ সালে পিপিপির আওতায় ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান স্যান্ডোর ডায়ালাইসিস সার্ভিস লিমিটেডের সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি করে সরকার।৩১টি মেশিনের মাধ্যমে চমেক হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিয়ে আসছিল। সরকার চুক্তি নবায়ন না করায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার কথা। এ অবস্থায় গত বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চিকিৎসাধীন রোগীরা সেবাটি চালু রাখার দাবি জানান।

‘ডায়ালাইসিস সেন্টার (পিপিপি) রক্ষা কমিটি (চমেক) হাসপাতাল’-এর ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন, সরকার স্যান্ডোরের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে না চাইলে বর্তমান অবকাঠামো ও জনবল অধিগ্রহণ করে দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হলেও সেবাটি চালু রাখা হোক।

রোগীদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতেআজ বৃহস্পতিবার(২৯ অক্টোবর) সকালে চমেক কান্তা ছাত্রী নিবাসে এক অনুষ্ঠানে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ডায়ালাইসিস সেবা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

ছাত্রী নিবাসে নবনির্মিত ‘দ্য স্টাডি লাউঞ্জ’ ও ‘দ্য প্রেয়ার হল’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ডায়ালাইসিস সেন্টারের সেবা যেন বন্ধ না হয়, সে জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

প্রশাসক আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে (২০২৭ সালের জুন-জুলাই) চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসাসেবায় রোগীদের আর ভোগান্তি থাকবে না।

চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন ও উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন।

চমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, হাসপাতাল এলাকার বাইরের অংশের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে সিটি করপোরেশনের ১০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় সবুজায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশিদ জামিলসহ চমেকের শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। চসিক প্রশাসক ও চমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ছাত্রী নিবাসের নতুন স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে (পিপিপি) চলা ডায়ালাইসিস সেবা বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। এ নিয়ে চিকিৎসাধীন ২৭৬ জন কিডনি রোগী চরম উদ্বেগে আছেন।তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন আশ্বস্ত করেছেন, এই সেবা কোনোভাবেই বন্ধ হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশন থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ক্রমবর্ধমান কিডনি রোগীদের কথা বিবেচনা করে ২০১৭ সালে পিপিপির আওতায় ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান স্যান্ডোর ডায়ালাইসিস সার্ভিস লিমিটেডের সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি করে সরকার।৩১টি মেশিনের মাধ্যমে চমেক হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিয়ে আসছিল। সরকার চুক্তি নবায়ন না করায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার কথা। এ অবস্থায় গত বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চিকিৎসাধীন রোগীরা সেবাটি চালু রাখার দাবি জানান।

‘ডায়ালাইসিস সেন্টার (পিপিপি) রক্ষা কমিটি (চমেক) হাসপাতাল’-এর ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন, সরকার স্যান্ডোরের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে না চাইলে বর্তমান অবকাঠামো ও জনবল অধিগ্রহণ করে দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হলেও সেবাটি চালু রাখা হোক।

রোগীদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতেআজ বৃহস্পতিবার(২৯ অক্টোবর) সকালে চমেক কান্তা ছাত্রী নিবাসে এক অনুষ্ঠানে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ডায়ালাইসিস সেবা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

ছাত্রী নিবাসে নবনির্মিত ‘দ্য স্টাডি লাউঞ্জ’ ও ‘দ্য প্রেয়ার হল’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ডায়ালাইসিস সেন্টারের সেবা যেন বন্ধ না হয়, সে জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

প্রশাসক আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে (২০২৭ সালের জুন-জুলাই) চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসাসেবায় রোগীদের আর ভোগান্তি থাকবে না।

চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন ও উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন।

চমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, হাসপাতাল এলাকার বাইরের অংশের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে সিটি করপোরেশনের ১০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় সবুজায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশিদ জামিলসহ চমেকের শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। চসিক প্রশাসক ও চমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ছাত্রী নিবাসের নতুন স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।