শীতের আগমনে প্রকৃতির পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের শরীরেও নানা ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা কমে যাওয়া, বাতাসের আর্দ্রতা হ্রাস, ধুলাবালু ও বায়ুদূষণ এবং শ্বাসতন্ত্রের জীবাণুর সংক্রমণের কারণে এ সময়ে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণে সর্দি, কাশি ও গলাব্যথার মতো সমস্যা সাধারণ বিষয়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির কণা এবং দূষিত হাতের সংস্পর্শে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, নাক বন্ধ থাকা, গলাব্যথা, কাশি, মাথাব্যথা এবং কখনো কখনো জ্বর। এছাড়া কানের সংক্রমণ, সাইনাসের প্রদাহ, হাঁপানির অবনতি এবং কিছু ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং পানি ও উপযুক্ত তরল পান করা জরুরি। কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে এবং নাক বন্ধ থাকলে জীবাণুমুক্ত স্যালাইন ব্যবহার করা যায়। এক বছরের বেশি বয়সিদের কাশিতে সামান্য মধু উপকার দিলেও এক বছরের কম বয়সি শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা উচিত নয়।

শীতের ঠান্ডা বাতাস, ধুলাবালু, ধোঁয়া এবং অ্যালার্জি হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে। শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ হওয়া, বুক চেপে আসা ও শ্বাস নিতে অসুবিধাসহ দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুতর শ্বাসকষ্ট হলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি রাখে। ধোঁয়া ও ধুলাবালু এড়িয়ে চলা এবং ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা প্রয়োজন। চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে। তবে গরম পানির পাত্র থেকে বাষ্প নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে ঘরোয়া চিকিৎসার অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া, কড়া সাবানের ব্যবহার এবং গরম পানিতে অতিরিক্ত সময় গোসলের ফলে ত্বক খসখসে হওয়া, চুলকানি ও ঠোঁট ফাটার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে ক্ষত ও জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। এ থেকে বাঁচতে কুসুম গরম পানিতে অল্প সময় গোসল করা এবং গোসলের পরপরই সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। ঠোঁটের যত্নে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্ষতস্থানে পুঁজ, তীব্র লালভাব বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শীতের আগমনে প্রকৃতির পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের শরীরেও নানা ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা কমে যাওয়া, বাতাসের আর্দ্রতা হ্রাস, ধুলাবালু ও বায়ুদূষণ এবং শ্বাসতন্ত্রের জীবাণুর সংক্রমণের কারণে এ সময়ে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণে সর্দি, কাশি ও গলাব্যথার মতো সমস্যা সাধারণ বিষয়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির কণা এবং দূষিত হাতের সংস্পর্শে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, নাক বন্ধ থাকা, গলাব্যথা, কাশি, মাথাব্যথা এবং কখনো কখনো জ্বর। এছাড়া কানের সংক্রমণ, সাইনাসের প্রদাহ, হাঁপানির অবনতি এবং কিছু ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং পানি ও উপযুক্ত তরল পান করা জরুরি। কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে এবং নাক বন্ধ থাকলে জীবাণুমুক্ত স্যালাইন ব্যবহার করা যায়। এক বছরের বেশি বয়সিদের কাশিতে সামান্য মধু উপকার দিলেও এক বছরের কম বয়সি শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা উচিত নয়।

শীতের ঠান্ডা বাতাস, ধুলাবালু, ধোঁয়া এবং অ্যালার্জি হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে। শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ হওয়া, বুক চেপে আসা ও শ্বাস নিতে অসুবিধাসহ দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুতর শ্বাসকষ্ট হলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি রাখে। ধোঁয়া ও ধুলাবালু এড়িয়ে চলা এবং ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা প্রয়োজন। চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে। তবে গরম পানির পাত্র থেকে বাষ্প নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে ঘরোয়া চিকিৎসার অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া, কড়া সাবানের ব্যবহার এবং গরম পানিতে অতিরিক্ত সময় গোসলের ফলে ত্বক খসখসে হওয়া, চুলকানি ও ঠোঁট ফাটার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে ক্ষত ও জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। এ থেকে বাঁচতে কুসুম গরম পানিতে অল্প সময় গোসল করা এবং গোসলের পরপরই সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। ঠোঁটের যত্নে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্ষতস্থানে পুঁজ, তীব্র লালভাব বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।