সাভারের আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে ইটের আঘাতে নুরুজ্জামান সামি নামের এক স্কুলছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সে সুস্থ আছে এবং পরিবারের জিম্মায় বাসায় ফিরেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও তার পরিবার ও স্কুল কর্তৃপক্ষ এটিকে সম্পূর্ণ গুজব বলে নিশ্চিত করেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার সকালে স্কুল ছুটির পর বাসায় ফেরার পথে। বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সামি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাইনশাইল এলাকার বাসিন্দা। সোমবার সকালে সে যথারীতি স্কুলে গিয়েছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্কুল ছুটি হলেও শ্রমিক অসন্তোষের কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুলের ভেতরে আটকে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম তাকে নিতে আসলে তারা স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। এ সময় শ্রমিকদের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে সামির মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।

আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার মাথায় তিনটি সেলাই দেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন। সামির বাবা ইউসুফ রানা জানান, তার ছেলের মাথায় আঘাত লেগেছে এবং সে বর্তমানে সুস্থ আছে। তবে তার শরীরে গুলির কোনো আঘাত বা গুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, সামি আহত হওয়ার পর তার আইডি কার্ড ও ইউনিফর্মের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যা ভিত্তিহীন।

বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক স্বপন কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বেলা ১১টার দিকে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে সামির মাথা ফেটে যায়। তাকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাভারের আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে ইটের আঘাতে নুরুজ্জামান সামি নামের এক স্কুলছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সে সুস্থ আছে এবং পরিবারের জিম্মায় বাসায় ফিরেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও তার পরিবার ও স্কুল কর্তৃপক্ষ এটিকে সম্পূর্ণ গুজব বলে নিশ্চিত করেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার সকালে স্কুল ছুটির পর বাসায় ফেরার পথে। বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সামি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাইনশাইল এলাকার বাসিন্দা। সোমবার সকালে সে যথারীতি স্কুলে গিয়েছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্কুল ছুটি হলেও শ্রমিক অসন্তোষের কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুলের ভেতরে আটকে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম তাকে নিতে আসলে তারা স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। এ সময় শ্রমিকদের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে সামির মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।

আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার মাথায় তিনটি সেলাই দেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন। সামির বাবা ইউসুফ রানা জানান, তার ছেলের মাথায় আঘাত লেগেছে এবং সে বর্তমানে সুস্থ আছে। তবে তার শরীরে গুলির কোনো আঘাত বা গুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, সামি আহত হওয়ার পর তার আইডি কার্ড ও ইউনিফর্মের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যা ভিত্তিহীন।

বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক স্বপন কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বেলা ১১টার দিকে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে সামির মাথা ফেটে যায়। তাকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।