সারাদেশে রোগী পরিবহনের ভোগান্তি লাঘবে একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই অ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হবে। বুধবার কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে সহজে এবং নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে রোগীদের যাতায়াতের সমস্যা দূর করতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বিবর্তনের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেগুলোকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। বর্তমান সরকার উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

প্রস্তাবিত এই ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোতে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, নতুন এই হাসপাতালগুলোতে ২০ শয্যার প্রসূতি ওয়ার্ড, ২০টি শিশু বেড এবং ১০টি ডায়ালাইসিস বেড রাখা হবে। এছাড়া নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মান ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের ওপরও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

সারাদেশে রোগী পরিবহনের ভোগান্তি লাঘবে একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই অ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হবে। বুধবার কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে সহজে এবং নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে রোগীদের যাতায়াতের সমস্যা দূর করতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বিবর্তনের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেগুলোকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। বর্তমান সরকার উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

প্রস্তাবিত এই ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোতে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, নতুন এই হাসপাতালগুলোতে ২০ শয্যার প্রসূতি ওয়ার্ড, ২০টি শিশু বেড এবং ১০টি ডায়ালাইসিস বেড রাখা হবে। এছাড়া নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মান ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের ওপরও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।