ইরানের কেশম দ্বীপে সোমবার সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত কেশম ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্বীপটিতে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আকাশে দুটি উড়োজাহাজ উড়তে দেখা গেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র যেসব ছোট পরিসরের সামরিক হামলা চালাচ্ছে, কেশম দ্বীপে চালানো এই অভিযান তারই ধারাবাহিকতা। মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে এসব প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। তবে গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে ইরানের অবরোধের কারণে এই নৌপথে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হামলার কথা প্রকাশ করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার কোনো বার্তা যাতে না যায়, সেজন্যই এসব হামলা গোপন রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়। তবে সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত এএফপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও সেন্টকম তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সোমবার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের দিন তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সাত শতাংশের বেশি কমেছে, যা সংঘাতের অবসানের বিষয়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

ইরানের হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তবে সংঘাতের অবসানে সম্ভাব্য চুক্তির আশায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৭ শতাংশের বেশি কমে যায়।

ইরানের কেশম দ্বীপে সোমবার সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত কেশম ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্বীপটিতে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আকাশে দুটি উড়োজাহাজ উড়তে দেখা গেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র যেসব ছোট পরিসরের সামরিক হামলা চালাচ্ছে, কেশম দ্বীপে চালানো এই অভিযান তারই ধারাবাহিকতা। মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে এসব প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। তবে গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে ইরানের অবরোধের কারণে এই নৌপথে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হামলার কথা প্রকাশ করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার কোনো বার্তা যাতে না যায়, সেজন্যই এসব হামলা গোপন রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়। তবে সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত এএফপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও সেন্টকম তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সোমবার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের দিন তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সাত শতাংশের বেশি কমেছে, যা সংঘাতের অবসানের বিষয়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

ইরানের হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তবে সংঘাতের অবসানে সম্ভাব্য চুক্তির আশায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৭ শতাংশের বেশি কমে যায়।