জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ পাঁচ আসামির পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারধীন এসব মামলায় বিদেশি আইনজীবীদের সরাসরি উপস্থিত থেকে আইনি লড়ায়ের আর কোনো সুযোগ থাকছে না।

বার কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তের ফলে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক ছাড়াও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান এবং সাংবাদিক ফারজানা রূপার পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদনগুলো অনুমোদন পেল না। তবে বার কাউন্সিল জানিয়েছে, বিদেশি আইনজীবীরা বাংলাদেশের আদালতে সরাসরি মামলা পরিচালনা করতে না পারলেও আসামিপক্ষের দেশি আইনজীবীদের পরামর্শক বা উপদেষ্টা হিসেবে সহযোগিতা প্রদান করতে পারবেন।

আবেদনগুলো নাকচ করার কারণ ব্যাখ্যা করে বার কাউন্সিল জানায়, বিদেশি কোনো আইনজীবী যদি মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে পেশাগত অসদাচরণ করেন, তবে তাঁকে জবাবদিহির আওতায় আনা কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান বিদ্যমান বার কাউন্সিল আইনে নেই। সার্বিক আইনি পরিস্থিতি ও পেশাগত শৃঙ্খলার দিকটি বিবেচনা করেই বিদেশি আইনজীবীদের সরাসরি বাংলাদেশের কোনো আদালতে লড়ার অনুমতি না দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সালমান এফ রহমানের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আইনি লড়াই চালানোর জন্য যুক্তরাজ্যের আইনজীবী গ্রায়েম এল হল বার কাউন্সিলে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। গত ৩০ আগস্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। যুক্তরাজ্যের এই আইনজীবী গত ১৪ আগস্ট বার কাউন্সিলের সচিবের কাছে তাঁর আবেদনটি জমা দেন।

জমা দেওয়া আবেদনে গ্রায়েম এল হল আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ১১(৮) ধারার বিধান উল্লেখ করে বাংলাদেশের স্থানীয় আইনজীবীদের পাশাপাশি সালমান এফ রহমানের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকার অনুমতি প্রার্থনা করেন। আবেদনের সঙ্গে নিজের পেশাগত পরিচয়পত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় নথিও তিনি যুক্ত করেছিলেন। লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের কাউন্সেল গ্রায়েম এল হলের স্বাক্ষরিত সেই আবেদনটি গত ২৪ আগস্ট গ্রহণ করেছিল বার কাউন্সিল, যা বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে নাকচ করা হলো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ পাঁচ আসামির পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারধীন এসব মামলায় বিদেশি আইনজীবীদের সরাসরি উপস্থিত থেকে আইনি লড়ায়ের আর কোনো সুযোগ থাকছে না।

বার কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তের ফলে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক ছাড়াও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান এবং সাংবাদিক ফারজানা রূপার পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদনগুলো অনুমোদন পেল না। তবে বার কাউন্সিল জানিয়েছে, বিদেশি আইনজীবীরা বাংলাদেশের আদালতে সরাসরি মামলা পরিচালনা করতে না পারলেও আসামিপক্ষের দেশি আইনজীবীদের পরামর্শক বা উপদেষ্টা হিসেবে সহযোগিতা প্রদান করতে পারবেন।

আবেদনগুলো নাকচ করার কারণ ব্যাখ্যা করে বার কাউন্সিল জানায়, বিদেশি কোনো আইনজীবী যদি মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে পেশাগত অসদাচরণ করেন, তবে তাঁকে জবাবদিহির আওতায় আনা কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান বিদ্যমান বার কাউন্সিল আইনে নেই। সার্বিক আইনি পরিস্থিতি ও পেশাগত শৃঙ্খলার দিকটি বিবেচনা করেই বিদেশি আইনজীবীদের সরাসরি বাংলাদেশের কোনো আদালতে লড়ার অনুমতি না দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সালমান এফ রহমানের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আইনি লড়াই চালানোর জন্য যুক্তরাজ্যের আইনজীবী গ্রায়েম এল হল বার কাউন্সিলে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। গত ৩০ আগস্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। যুক্তরাজ্যের এই আইনজীবী গত ১৪ আগস্ট বার কাউন্সিলের সচিবের কাছে তাঁর আবেদনটি জমা দেন।

জমা দেওয়া আবেদনে গ্রায়েম এল হল আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ১১(৮) ধারার বিধান উল্লেখ করে বাংলাদেশের স্থানীয় আইনজীবীদের পাশাপাশি সালমান এফ রহমানের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকার অনুমতি প্রার্থনা করেন। আবেদনের সঙ্গে নিজের পেশাগত পরিচয়পত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় নথিও তিনি যুক্ত করেছিলেন। লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের কাউন্সেল গ্রায়েম এল হলের স্বাক্ষরিত সেই আবেদনটি গত ২৪ আগস্ট গ্রহণ করেছিল বার কাউন্সিল, যা বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে নাকচ করা হলো।