লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে খোরশেদ আলম (৫০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল দুপুরে পুলিশ ইব্রাহিম ছুট্টু ও মাসুদ রানাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে নিহত খোরশেদের স্ত্রী আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইব্রাহিম ছুট্টু ও মাসুদ রানাকে আটক করে। মামলার আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ইব্রাহিম ছুট্টু সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর গ্রামের বক্স আলী ভূঁইয়াবাড়ির মৃত সৈয়দ আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে এবং মাসুদ রানা বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামের তোফায়েল আহমেদের ছেলে। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানিয়েছেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, নিহত ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমের মেয়ে প্রেমা আক্তার লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার দিন মজিদ ও মোরশেদ তার বাবাকে ডেকে নিয়ে যান। এর দুই মিনিট পরই গুলির শব্দ শোনা যায়। তিনি দাবি করেন, গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে মজিদ ও মোরশেদ তাকে জানায় যে ওয়ালিদ ও সোহাগ তার বাবাকে গুলি করেছে। প্রেমা আরও বলেন, তার বাবা মৃত্যুর আগে হিরু, ওয়ালিদ ও সোহাগের নাম বলেছিলেন। তিনি জানান, মূলত মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, কারণ ব্রিক ফিল্ডের মালিক হিরু ও তার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে তার বাবাকে ব্যবসা বন্ধের হুমকি দিয়ে আসছিল।
যাওয়ার ২ মিনিট পরই গুলির তিনটি আওয়াজ শোনা যায়।
বিএনপি করার কারণে ১৭ বছর আওয়ামী লীগের আমলে নানা মিথ্যা মামলা খেয়েছেন।




