ইরানের সঙ্গে মুলতবি হয়ে যাওয়া শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় তিনি ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়িকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গত বুধবারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে সাম্প্রতিক যোগাযোগে সুনির্দিষ্ট কোনো শান্তি প্রস্তাবের শর্তের বদলে সম্ভাব্য আলোচনার কাঠামো দাঁড় করানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

কূটনৈতিক তৎপরতার খবরের পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রাখার তথ্যও সামনে এসেছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে একটি স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে উপসাগরীয় মিত্র আরব দেশগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেমাফোরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে নির্বাচনের পরপরই সামরিক অভিযানে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই ভ্যান্সকে চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমোদন দিয়েছিলেন, যদিও বৃহত্তর শান্তি আলোচনার সঙ্গে এর যোগসূত্র স্পষ্ট নয়।

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আর্থিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। সাম্প্রতিক যুদ্ধের জেরে পেট্রলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যা ৩ নভেম্বরের কংগ্রেসি নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত পেন্টাগনের হিসাবে দেখা যায়, ইরান যুদ্ধের পেছনে ইতিমধ্যে মার্কিন করদাতাদের অন্তত ৪ হাজার ৭১০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাবিদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ব্রেট সিলভিয়াকে তাঁর পদ থেকে বরখাস্ত করেছেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা এবং তৃতীয় একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নৌ অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরানের বিস্তৃত সামরিক আমদানির কৌশল। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিয়াদ মালেকির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইরান প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও কাঁচামাল আমদানি করেছে। এসব উপকরণের সাহায্যে সংগৃহীত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে আসছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক চাপ মোকাবিলায় তেহরানকে সক্ষমতা জুগিয়েছে।

কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরেও তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। প্রণালিতে তিনটি জ্বালানি ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জন্য সমুদ্রপথে মাইনের উপস্থিতি দায়ী করে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের ওপর অভিযোগ তুলেছে আইআরজিসির নৌ শাখা। সেন্টকমের দাবির বিরোধিতা করে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানান, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ কৌশলগত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দেশের সব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই পথ খুলবে না। তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন পদক্ষেপের মূল গোপন উদ্দেশ্য হলো 'বৃহত্তর ইসরায়েল' পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।

ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিটের সাহায্যে হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে একটি মার্কিন এমকিউএম-১৭০ নজরদারি ড্রোন অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনার দাবি করেছে আইআরজিসি, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শনাক্ত করা। বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ড্রোনটির উড্ডয়ন উৎস পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলের একটি দেশ হিসেবে শনাক্ত করা গেছে। এর আগে প্রণালির পূর্বদিকে একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছিল বাহিনীটি, তবে এসব দাবির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা যায়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাশিয়া মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানান, দুপক্ষের অনুরোধে মস্কো আলোচনায় সহায়তার পাশাপাশি অমীমাংসিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ গ্রহণ করতেও রাজি আছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের অংশ হিসেবে ইয়েমেনে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়েছে। তাইজের পশ্চিমে আল-আশউব এলাকায় হুতি বিদ্রোহীদের একটি সামরিক শিবিরে দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। অন্যদিকে হুতিদের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের লক্ষ্য করে ১০১টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। অবরুদ্ধ তাইজ শহরে খাদ্য, পানি ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে হুতি বাহিনী অনাহারকে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। জাতিসংঘের তথ্যমতে, আগস্ট থেকে চলা লড়াইয়ে অন্তত ২ লাখ ৮১ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে সেপ্টেম্বরের পর থেকে ১ হাজার ৬৭৭ জন নিহত ও ৭ হাজার ৩৯৫ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে মুলতবি হয়ে যাওয়া শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় তিনি ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়িকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গত বুধবারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে সাম্প্রতিক যোগাযোগে সুনির্দিষ্ট কোনো শান্তি প্রস্তাবের শর্তের বদলে সম্ভাব্য আলোচনার কাঠামো দাঁড় করানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

কূটনৈতিক তৎপরতার খবরের পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রাখার তথ্যও সামনে এসেছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে একটি স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে উপসাগরীয় মিত্র আরব দেশগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেমাফোরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে নির্বাচনের পরপরই সামরিক অভিযানে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই ভ্যান্সকে চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমোদন দিয়েছিলেন, যদিও বৃহত্তর শান্তি আলোচনার সঙ্গে এর যোগসূত্র স্পষ্ট নয়।

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আর্থিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। সাম্প্রতিক যুদ্ধের জেরে পেট্রলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যা ৩ নভেম্বরের কংগ্রেসি নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত পেন্টাগনের হিসাবে দেখা যায়, ইরান যুদ্ধের পেছনে ইতিমধ্যে মার্কিন করদাতাদের অন্তত ৪ হাজার ৭১০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাবিদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ব্রেট সিলভিয়াকে তাঁর পদ থেকে বরখাস্ত করেছেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা এবং তৃতীয় একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নৌ অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরানের বিস্তৃত সামরিক আমদানির কৌশল। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিয়াদ মালেকির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইরান প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও কাঁচামাল আমদানি করেছে। এসব উপকরণের সাহায্যে সংগৃহীত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে আসছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক চাপ মোকাবিলায় তেহরানকে সক্ষমতা জুগিয়েছে।

কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরেও তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। প্রণালিতে তিনটি জ্বালানি ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জন্য সমুদ্রপথে মাইনের উপস্থিতি দায়ী করে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের ওপর অভিযোগ তুলেছে আইআরজিসির নৌ শাখা। সেন্টকমের দাবির বিরোধিতা করে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানান, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ কৌশলগত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দেশের সব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই পথ খুলবে না। তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন পদক্ষেপের মূল গোপন উদ্দেশ্য হলো 'বৃহত্তর ইসরায়েল' পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।

ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিটের সাহায্যে হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে একটি মার্কিন এমকিউএম-১৭০ নজরদারি ড্রোন অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনার দাবি করেছে আইআরজিসি, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শনাক্ত করা। বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ড্রোনটির উড্ডয়ন উৎস পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলের একটি দেশ হিসেবে শনাক্ত করা গেছে। এর আগে প্রণালির পূর্বদিকে একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছিল বাহিনীটি, তবে এসব দাবির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা যায়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাশিয়া মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানান, দুপক্ষের অনুরোধে মস্কো আলোচনায় সহায়তার পাশাপাশি অমীমাংসিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ গ্রহণ করতেও রাজি আছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের অংশ হিসেবে ইয়েমেনে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়েছে। তাইজের পশ্চিমে আল-আশউব এলাকায় হুতি বিদ্রোহীদের একটি সামরিক শিবিরে দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। অন্যদিকে হুতিদের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের লক্ষ্য করে ১০১টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। অবরুদ্ধ তাইজ শহরে খাদ্য, পানি ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে হুতি বাহিনী অনাহারকে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। জাতিসংঘের তথ্যমতে, আগস্ট থেকে চলা লড়াইয়ে অন্তত ২ লাখ ৮১ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে সেপ্টেম্বরের পর থেকে ১ হাজার ৬৭৭ জন নিহত ও ৭ হাজার ৩৯৫ জন আহত হয়েছেন।