শিমগাছ রোপণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিবাদের জেরে ধারালো দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয়ে শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারালেন ভোলার কালমা ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ (৪৫)। শনিবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার সুপারম্যাক্স হেলথ কেয়ার লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ফিরোজ লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের দোকান এলাকার ডাক্তার বাড়ির কাশেম আলীর ছেলে। তার মৃত্যুতে তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ পুরো পরিবার এখন গভীর শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ১২ বছরের শিশু কন্যা মোসা. রিতুর আর্তনাদ ও বুকফাটা বিলাপ বাড়ির পরিবেশকে ভারী করে তুলেছে। রিতু কখনো দিগ্বিদিক ছুটছে, আবার কখনো বাবার জামা-কাপড় বুকে জড়িয়ে বিলাপ করছে, কিন্তু তার এই কান্না আর বাবাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না।

ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার, যখন ফিরোজ একই বাড়ির বাসিন্দা কাজলের ঘরের পাশে নিজের জমিতে শিমগাছ রোপণ করে সেখানে বাঁশের ঝোপ দেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর কাজলের স্ত্রী জান্নাত সেই বাঁশের বেড়া কেটে ফেলেন। নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে ফিরোজ এর প্রতিবাদ করলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কাজলের স্বামী কাজল ঘটনাস্থলে এসে ফিরোজকে লক্ষ্য করে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজকে প্রথমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে স্বজনরা তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

লালমোহন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নূরুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত কাজলকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শিমগাছ রোপণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিবাদের জেরে ধারালো দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয়ে শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারালেন ভোলার কালমা ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ (৪৫)। শনিবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার সুপারম্যাক্স হেলথ কেয়ার লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ফিরোজ লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের দোকান এলাকার ডাক্তার বাড়ির কাশেম আলীর ছেলে। তার মৃত্যুতে তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ পুরো পরিবার এখন গভীর শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ১২ বছরের শিশু কন্যা মোসা. রিতুর আর্তনাদ ও বুকফাটা বিলাপ বাড়ির পরিবেশকে ভারী করে তুলেছে। রিতু কখনো দিগ্বিদিক ছুটছে, আবার কখনো বাবার জামা-কাপড় বুকে জড়িয়ে বিলাপ করছে, কিন্তু তার এই কান্না আর বাবাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না।

ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার, যখন ফিরোজ একই বাড়ির বাসিন্দা কাজলের ঘরের পাশে নিজের জমিতে শিমগাছ রোপণ করে সেখানে বাঁশের ঝোপ দেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর কাজলের স্ত্রী জান্নাত সেই বাঁশের বেড়া কেটে ফেলেন। নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে ফিরোজ এর প্রতিবাদ করলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কাজলের স্বামী কাজল ঘটনাস্থলে এসে ফিরোজকে লক্ষ্য করে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজকে প্রথমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে স্বজনরা তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

লালমোহন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নূরুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত কাজলকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।