প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জমকালো আয়োজনে রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের গৌরবময় পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী শনিবার(২৪ অক্টোবর) উদযাপিত হয়। কবি, লেখক, সাহিত্যানুরাগী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সমাজসেবী, মানবাধিকার কর্মী ও সর্বস্তরের পাঠকদের প্রাণের মেলবন্ধনে মুখরিত হয়ে উঠল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া।

উপলক্ষ ছিল জননন্দিত সাহিত্য -সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন ‘রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদ’-এর বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে গৌরবময় পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও নান্দনিক স্মরণিকা ‘হৃদয়ে রাঙ্গুনিয়া’র ঐতিহাসিক মোড়ক উন্মোচন।

সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও মানবিকতার আলো ছড়ানোর প্রত্যয়ে আয়োজিত দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও রাঙ্গুনিয়ার কৃতি সন্তান ড. জিনবোধি ভিক্ষু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের সম্মানিত সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইয়িদ তালুকদার।

রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্য ও সাহিত্য -সংস্কৃতির পতাকাবাহী এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া শিল্পকলা একাডেমির মুক্ত মঞ্চে দুই পর্বের জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালের প্রথম পর্ব শুরু হয় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, অনুষ্ঠানস্থলে রকমারি সামগ্রীর দৃষ্টিনন্দন মেলা পরিদর্শন, কবিতা পাঠ এবং সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা সভার মাধ্যমে।

নবীন-প্রবীণ কবিরা নিজেদের ও বিখ্যাত কবিদের কবিতা পাঠ এবং আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে মুখরিত করে তোলেন।

দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতির পর দ্বিতীয় পর্বের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় উদ্বোধনী ও স্বাগত বক্তব্য এবং পরিষদের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে অনুপ্রেরণামূলক গান ‘আমরা করব জয়’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।

পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বাচিক শিল্পী মিস এস.টি.এফ জুঁথী এবং সহ-আবৃত্তি প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও বাচিক শিল্পী ফারুক আজম সোহেলের প্রাণবন্ত ও চমৎকার সঞ্চালনায় পুরো অনুষ্ঠানটিকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

মনোমুগ্ধকর কবিতা আবৃত্তি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মানিত প্রধান আলোচক ও অন্যান্য বক্তাদের মূল্যবান আলোচনা, “হৃদয়ে রাঙ্গুনিয়া” স্মরণিকার ঐতিহাসিক মোড়ক উন্মোচনসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় ইভেন্টে কোলাহলপূর্ণ ছিল শিল্পকলা একাডেমির পুরো প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কুইজ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা হওয়া মোট ৫০ জন বিজয়ী শিক্ষার্থীর হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়াও, রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে ৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে। একই সাথে সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্থানীয় ৬টি সামাজিক ও মানবিক সংগঠনকে পরিষদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সংগঠনের সভাপতির সুদূরপ্রসারী ও অনুপ্রেরণাদায়ক সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণার পরপরই শুরু হয় আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্ব ‘লাকি কুপন’ ড্র এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ। আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই বর্ণিল ও জমকালো আয়োজনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

উপস্থিত কবি, সাহিত্যিক, সুধীজন ও পাঠকদের মতে, রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদ কেবল সাহিত্য সাধনাই করছে না, বরং একটি আলোকিত, মানবিক, সুস্থ সংস্কৃতি ও উদারমনা সমাজ গঠনে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জমকালো আয়োজনে রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের গৌরবময় পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী শনিবার(২৪ অক্টোবর) উদযাপিত হয়। কবি, লেখক, সাহিত্যানুরাগী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সমাজসেবী, মানবাধিকার কর্মী ও সর্বস্তরের পাঠকদের প্রাণের মেলবন্ধনে মুখরিত হয়ে উঠল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া।

উপলক্ষ ছিল জননন্দিত সাহিত্য -সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন ‘রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদ’-এর বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে গৌরবময় পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও নান্দনিক স্মরণিকা ‘হৃদয়ে রাঙ্গুনিয়া’র ঐতিহাসিক মোড়ক উন্মোচন।

সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও মানবিকতার আলো ছড়ানোর প্রত্যয়ে আয়োজিত দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও রাঙ্গুনিয়ার কৃতি সন্তান ড. জিনবোধি ভিক্ষু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের সম্মানিত সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইয়িদ তালুকদার।

রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্য ও সাহিত্য -সংস্কৃতির পতাকাবাহী এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া শিল্পকলা একাডেমির মুক্ত মঞ্চে দুই পর্বের জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালের প্রথম পর্ব শুরু হয় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, অনুষ্ঠানস্থলে রকমারি সামগ্রীর দৃষ্টিনন্দন মেলা পরিদর্শন, কবিতা পাঠ এবং সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা সভার মাধ্যমে।

নবীন-প্রবীণ কবিরা নিজেদের ও বিখ্যাত কবিদের কবিতা পাঠ এবং আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে মুখরিত করে তোলেন।

দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতির পর দ্বিতীয় পর্বের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় উদ্বোধনী ও স্বাগত বক্তব্য এবং পরিষদের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে অনুপ্রেরণামূলক গান ‘আমরা করব জয়’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।

পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বাচিক শিল্পী মিস এস.টি.এফ জুঁথী এবং সহ-আবৃত্তি প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও বাচিক শিল্পী ফারুক আজম সোহেলের প্রাণবন্ত ও চমৎকার সঞ্চালনায় পুরো অনুষ্ঠানটিকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

মনোমুগ্ধকর কবিতা আবৃত্তি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মানিত প্রধান আলোচক ও অন্যান্য বক্তাদের মূল্যবান আলোচনা, “হৃদয়ে রাঙ্গুনিয়া” স্মরণিকার ঐতিহাসিক মোড়ক উন্মোচনসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় ইভেন্টে কোলাহলপূর্ণ ছিল শিল্পকলা একাডেমির পুরো প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কুইজ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা হওয়া মোট ৫০ জন বিজয়ী শিক্ষার্থীর হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়াও, রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে ৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে। একই সাথে সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্থানীয় ৬টি সামাজিক ও মানবিক সংগঠনকে পরিষদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সংগঠনের সভাপতির সুদূরপ্রসারী ও অনুপ্রেরণাদায়ক সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণার পরপরই শুরু হয় আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্ব ‘লাকি কুপন’ ড্র এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ। আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই বর্ণিল ও জমকালো আয়োজনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

উপস্থিত কবি, সাহিত্যিক, সুধীজন ও পাঠকদের মতে, রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদ কেবল সাহিত্য সাধনাই করছে না, বরং একটি আলোকিত, মানবিক, সুস্থ সংস্কৃতি ও উদারমনা সমাজ গঠনে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে।