লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের তোপের মুখে পড়ে গুলি ও ককটেল ছুড়ে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। শনিবার সন্ধ্যায় বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তের ৮৩৭-এর ৪-এস নম্বর মেইন পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

সীমান্তের বাসিন্দা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বামনদল সীমান্তে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে নিজেদের জমিতে কাজ করছিলেন একদল কৃষক। এ সময় বিএসএফের কয়েকজন সদস্য অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং কৃষকদের জমিতে কাজে বাধা দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে কৃষকদের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা লাঠিসোটা নিয়ে কৃষকদের ওপর চড়াও হয়।

বিএসএফের এমন হামলার জবাবে স্থানীয় বাংলাদেশি কৃষকরাও একজোট হয়ে লাঠি হাতে পাল্টা ধাওয়া করেন। কৃষকদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে ককটেল, সাউন্ড বোমা ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে ভারতের সীমানার ভেতরে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

ঘটনার পরপরই বিজিবির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিএসএফের এই অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং গুলি ও বোমা বর্ষণের ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে বামনদল সীমান্তে চরম আতঙ্ক ও তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি বিজিবির নজরদারি ও টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রংপুর ৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মুহা. শাহীনূল ইসলাম জানান, বিএসএফের এই অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ডের তাৎক্ষণিক তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএসএফের দাবি অনুযায়ী পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে, তবে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের তোপের মুখে পড়ে গুলি ও ককটেল ছুড়ে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। শনিবার সন্ধ্যায় বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তের ৮৩৭-এর ৪-এস নম্বর মেইন পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

সীমান্তের বাসিন্দা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বামনদল সীমান্তে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে নিজেদের জমিতে কাজ করছিলেন একদল কৃষক। এ সময় বিএসএফের কয়েকজন সদস্য অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং কৃষকদের জমিতে কাজে বাধা দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে কৃষকদের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা লাঠিসোটা নিয়ে কৃষকদের ওপর চড়াও হয়।

বিএসএফের এমন হামলার জবাবে স্থানীয় বাংলাদেশি কৃষকরাও একজোট হয়ে লাঠি হাতে পাল্টা ধাওয়া করেন। কৃষকদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে ককটেল, সাউন্ড বোমা ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে ভারতের সীমানার ভেতরে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

ঘটনার পরপরই বিজিবির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিএসএফের এই অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং গুলি ও বোমা বর্ষণের ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে বামনদল সীমান্তে চরম আতঙ্ক ও তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি বিজিবির নজরদারি ও টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রংপুর ৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মুহা. শাহীনূল ইসলাম জানান, বিএসএফের এই অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ডের তাৎক্ষণিক তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএসএফের দাবি অনুযায়ী পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে, তবে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট