বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে এই ধাতুর দাম ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। দিন শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৪ ডলার ৯ সেন্টে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ১ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর সরবরাহের স্বর্ণের ফিউচার দর ১ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩ ডলার ৩০ সেন্টে নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা এই দরপতনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতিকে দায়ী করছেন। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চপর্যায়ে বজায় রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়, কারণ বিনিয়োগকারীরা তখন বেশি মুনাফার সুযোগ থাকা অন্যান্য সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরে ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে বলে বাজারে ৬৮ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বর্ণের বাজারের এই নেতিবাচক ধারার প্রভাব পড়েছে বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাসেও। ফেডের কঠোর সুদনীতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কায় প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স স্বর্ণের সম্ভাব্য দাম ৪ হাজার ৬৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ১৫০ ডলার নির্ধারণ করেছে।

তবে সপ্তাহের সার্বিক হিসাব বিবেচনায় নিলে, আগস্টের শেষ দিকের পর চলতি সপ্তাহেই স্বর্ণের বাজার সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। শুক্রবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫১ ডলার ৫১ সেন্ট, প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫১২ ডলার ৮৩ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২০ ডলার ১০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এবং ইরান সংঘাতের অনিশ্চয়তার কারণে শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বাড়লেও পুরো সপ্তাহের হিসাবে তেলের দামে বড় পতনের আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে এই ধাতুর দাম ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। দিন শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৪ ডলার ৯ সেন্টে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ১ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর সরবরাহের স্বর্ণের ফিউচার দর ১ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩ ডলার ৩০ সেন্টে নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা এই দরপতনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতিকে দায়ী করছেন। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চপর্যায়ে বজায় রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়, কারণ বিনিয়োগকারীরা তখন বেশি মুনাফার সুযোগ থাকা অন্যান্য সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরে ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে বলে বাজারে ৬৮ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বর্ণের বাজারের এই নেতিবাচক ধারার প্রভাব পড়েছে বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাসেও। ফেডের কঠোর সুদনীতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কায় প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স স্বর্ণের সম্ভাব্য দাম ৪ হাজার ৬৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ১৫০ ডলার নির্ধারণ করেছে।

তবে সপ্তাহের সার্বিক হিসাব বিবেচনায় নিলে, আগস্টের শেষ দিকের পর চলতি সপ্তাহেই স্বর্ণের বাজার সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। শুক্রবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫১ ডলার ৫১ সেন্ট, প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫১২ ডলার ৮৩ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২০ ডলার ১০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এবং ইরান সংঘাতের অনিশ্চয়তার কারণে শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বাড়লেও পুরো সপ্তাহের হিসাবে তেলের দামে বড় পতনের আশঙ্কা রয়েছে।