টানা তিন দফা বড় অঙ্কে দাম বাড়ার পর দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর করা হয়েছে। বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৭১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লিখিত সব দামের সঙ্গেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য তালিকা কার্যকর থাকবে। স্বর্ণালঙ্কার তৈরির ক্ষেত্রে ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

পুরোনো সোনা কেনা বা অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে সংগঠনটি। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো সোনা কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে এই দুই ক্ষেত্রে কোনোভাবেই আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

টানা তিন দফা বড় অঙ্কে দাম বাড়ার পর দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর করা হয়েছে। বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৭১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লিখিত সব দামের সঙ্গেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য তালিকা কার্যকর থাকবে। স্বর্ণালঙ্কার তৈরির ক্ষেত্রে ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

পুরোনো সোনা কেনা বা অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে সংগঠনটি। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো সোনা কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে এই দুই ক্ষেত্রে কোনোভাবেই আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।