সৌদি আরবে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে পবিত্র নগরী মদিনা থেকে জেদ্দার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে দীর্ঘ মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। জানা গেছে, নিহতদের কয়েকজন সৌদি আরবের ‘আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানি’তে কর্মরত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ওই কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। একই প্রতিষ্ঠানের ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রীও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানিটির স্টোরকিপার শাহ আলম ও তার এক মাস বয়সী কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটি এবং ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম জানা যায়নি।

কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামান জানান, ব্যক্তিগত গাড়িতে করে মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। সৌদি আরবের পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মদিনার একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

কনস্যুলেট কর্মকর্তারা সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মৃতদেহগুলো দ্রুত দেশে স্বজনদের কাছে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীন দেলোয়ার দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন, তবে তিনি জানান যে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। এই মর্মান্তিক মৃত্যু সংবাদে গোটা চকরিয়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সৌদি আরবে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে পবিত্র নগরী মদিনা থেকে জেদ্দার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে দীর্ঘ মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। জানা গেছে, নিহতদের কয়েকজন সৌদি আরবের ‘আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানি’তে কর্মরত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ওই কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। একই প্রতিষ্ঠানের ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রীও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানিটির স্টোরকিপার শাহ আলম ও তার এক মাস বয়সী কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটি এবং ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম জানা যায়নি।

কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামান জানান, ব্যক্তিগত গাড়িতে করে মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। সৌদি আরবের পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মদিনার একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

কনস্যুলেট কর্মকর্তারা সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মৃতদেহগুলো দ্রুত দেশে স্বজনদের কাছে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীন দেলোয়ার দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন, তবে তিনি জানান যে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। এই মর্মান্তিক মৃত্যু সংবাদে গোটা চকরিয়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।