বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও চিকিৎসক শ্রীরাম নেনের বড় ছেলে অরিন নেনেকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের দৃষ্টির বাইরে থাকা অরিন এবার মুম্বাইয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার জমকালো দীপাবলি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা গেছে কথিত প্রেমিকা খুশিকে। দুজনকে একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে দেখা যেতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
দীপাবলির অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রীদের সামনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন অরিন ও খুশি। ছবি তোলার সময় খুশিকে বেশ কাছে টেনে রাখতে দেখা যায় অরিনকে। কেবল অরিনই নন, মাধুরী দীক্ষিত ও শ্রীরাম নেনের সঙ্গেও হাসিমুখে ছবি তোলেন খুশি। পরবর্তীতে ড. শ্রীরাম নেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই সন্ধ্যার কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেন, যেখানে পরিবারের অন্য সদস্যদের পাশে খুশিকেও দেখা গেছে। উল্লেখ্য, এই বিশেষ অনুষ্ঠানে মাধুরী দীক্ষিত পরেছিলেন মনীশ মালহোত্রার নকশা করা গোলাপি রঙের একটি শাড়ি।
আয়োজনের পর খুশি নিজেও তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন। একটি ছবিতে অরিনের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের সাজ পোশাক তুলে ধরেন তিনি, আর অন্য ছবিতে বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের সঙ্গে পাউট করে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাঁকে। তবে এর আগেও অরিন ও খুশিকে যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে সময় কাটানোর ছবি শেয়ার করতে দেখা গেছে। সম্প্রতি খুশির একটি পোস্টে অরিন মন্তব্য করেছিলেন ‘আমার হৃদয়’, যা তাঁদের সম্পর্কের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে তোলে।
মাধুরী দীক্ষিত ও শ্রীরাম নেনে দম্পতির দুই ছেলে—অরিন ও রায়ান। তাঁদের মধ্যে বড় হলেন অরিন। তারকাবংশের সন্তান হলেও অরিন সব সময় প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন। তবে চলচ্চিত্রের নেপথ্য কাজের অভিজ্ঞতা ইতোমধ্যে তাঁর রয়েছে। করণ জোহরের ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ সিনেমাটিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন অরিন। সেই চলচ্চিত্রে আরহান খান ও ইব্রাহিম আলী খানের মতো অন্য তারকা-সন্তানরাও যুক্ত ছিলেন।
সন্তানদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মাধুরী দীক্ষিত বরাবরই অতিরিক্ত সতর্ক। তিনি চাননি তাঁর ছেলেরা শৈশব থেকেই গণমাধ্যমের অতিরিক্ত নজরদারির মধ্যে থাকুক। মিড-ডের ‘সিট উইথ হিটলিস্ট’ সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানিয়েছিলেন, দুই ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে টানা ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বেড়ে ওঠার কারণে মায়ের তারকাখ্যাতি বা চলচ্চিত্র জীবন সম্পর্কে তাঁদের তেমন কোনো স্পষ্ট ধারণাই ছিল না।




