প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে নিজেদের শেকড় আর ঐতিহ্যের টানে এক ছাতার নিচে জড়ো হয়েছেন জার্মানির ডুসেলডর্ফে বসবাসরত বাঙালিরা। নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের ডুসেলডর্ফ শহরে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কৃষ্টিবাড়ি’র উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত এই উৎসবে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ধর্মীয় পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনার পাশাপাশি ছিল নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন।

উৎসবে অংশ নিয়েছেন প্রায় এক হাজার প্রবাসী বাঙালি। ভৌগোলিক দূরত্ব জয় করে এই আয়োজনে শামিল হয়েছেন অনেকেই; যেমন মিউনিখ থেকে প্রায় পাঁচশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সপরিবারে যোগ দিয়েছেন প্রতীক সাহা। উৎসবে দেশীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি গান, নাচ ও নাটকের পরিবেশনায় মেতে ওঠেন প্রবাসীরা। আয়োজকদের মতে, এমন আয়োজন পরিচিত মানুষদের সঙ্গে দেখা করা, নতুন সম্পর্ক গড়া এবং বাংলা সংস্কৃতির চর্চায় একত্র হওয়ার একটি চমৎকার উপলক্ষ।

কৃষ্টিবাড়ির সাধারণ সম্পাদক অমিত আচার্য জানান, প্রবাসী বাঙালিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এই আয়োজনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে এবং তিনি সংগঠনের সকল সদস্যের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আয়োজকদের মূল লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব পালন নয়, বরং বিদেশে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা। বিশেষ করে বিদেশে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে পরিচিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রবাসে থেকেও নিজ সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় ডুসেলডর্ফের এই দুর্গোৎসব। অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশা, এই মিলনমেলা প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিদের পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে নিজেদের শেকড় আর ঐতিহ্যের টানে এক ছাতার নিচে জড়ো হয়েছেন জার্মানির ডুসেলডর্ফে বসবাসরত বাঙালিরা। নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের ডুসেলডর্ফ শহরে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কৃষ্টিবাড়ি’র উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত এই উৎসবে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ধর্মীয় পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনার পাশাপাশি ছিল নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন।

উৎসবে অংশ নিয়েছেন প্রায় এক হাজার প্রবাসী বাঙালি। ভৌগোলিক দূরত্ব জয় করে এই আয়োজনে শামিল হয়েছেন অনেকেই; যেমন মিউনিখ থেকে প্রায় পাঁচশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সপরিবারে যোগ দিয়েছেন প্রতীক সাহা। উৎসবে দেশীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি গান, নাচ ও নাটকের পরিবেশনায় মেতে ওঠেন প্রবাসীরা। আয়োজকদের মতে, এমন আয়োজন পরিচিত মানুষদের সঙ্গে দেখা করা, নতুন সম্পর্ক গড়া এবং বাংলা সংস্কৃতির চর্চায় একত্র হওয়ার একটি চমৎকার উপলক্ষ।

কৃষ্টিবাড়ির সাধারণ সম্পাদক অমিত আচার্য জানান, প্রবাসী বাঙালিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এই আয়োজনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে এবং তিনি সংগঠনের সকল সদস্যের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আয়োজকদের মূল লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব পালন নয়, বরং বিদেশে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা। বিশেষ করে বিদেশে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে পরিচিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রবাসে থেকেও নিজ সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় ডুসেলডর্ফের এই দুর্গোৎসব। অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশা, এই মিলনমেলা প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিদের পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।