ইরানের ওপর কয়েক মাস ধরে চলা নৌ অবরোধের ধারাবাহিকতায় এবার দেশটির স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে অস্ত্র এবং নিষিদ্ধ পণ্যের চলাচল নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মার্কিন সামরিক বাহিনী 'টাস্ক ফোর্স আয়রন গেট' নামে একটি নতুন বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন এই ইউনিটটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত হবে। এটি মূলত মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইরানের উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা ও নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত বিভিন্ন সামগ্রীর চলাচল রোধ করাই হবে এই টাস্ক ফোর্সের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এছাড়া, শুধু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ নয়, বরং দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্য—যা সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই কাজে লাগে—এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করবে এই ইউনিট।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সেন্টকমের সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, অস্ত্র কারখানা পুনর্গঠন এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনরায় গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অনেকাংশে সীমিত করা সম্ভব হবে।

এদিকে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধের প্রভাব নিয়ে একটি হিসাব তুলে ধরেছে সেন্টকম। সংস্থাটির দাবি, এই অবরোধের কারণে ইরান এখন পর্যন্ত ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানি করতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরকেন্দ্রিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের এই নতুন উদ্যোগ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ আরও বাড়ানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

ইরানের ওপর কয়েক মাস ধরে চলা নৌ অবরোধের ধারাবাহিকতায় এবার দেশটির স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে অস্ত্র এবং নিষিদ্ধ পণ্যের চলাচল নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মার্কিন সামরিক বাহিনী 'টাস্ক ফোর্স আয়রন গেট' নামে একটি নতুন বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন এই ইউনিটটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত হবে। এটি মূলত মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইরানের উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা ও নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত বিভিন্ন সামগ্রীর চলাচল রোধ করাই হবে এই টাস্ক ফোর্সের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এছাড়া, শুধু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ নয়, বরং দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্য—যা সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই কাজে লাগে—এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করবে এই ইউনিট।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সেন্টকমের সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, অস্ত্র কারখানা পুনর্গঠন এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনরায় গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অনেকাংশে সীমিত করা সম্ভব হবে।

এদিকে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধের প্রভাব নিয়ে একটি হিসাব তুলে ধরেছে সেন্টকম। সংস্থাটির দাবি, এই অবরোধের কারণে ইরান এখন পর্যন্ত ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানি করতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরকেন্দ্রিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের এই নতুন উদ্যোগ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ আরও বাড়ানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।