ক্রাইম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে ৫৪২ জনকে কিশোর গ্যাং -সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) পরিচালিত অভিযানের ২৪ ঘণ্টার ফলাফলের এসব তথ্য আজ শনিবার (০৭ নভেম্বর) দুপুরে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৬১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৮ জন রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলার পরোয়ানায় ১৮৫ জন, সাজা পরোয়ানায় ৩৪ জন, মাদক সেবনের অভিযোগে ৭৬ জন এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১২৬ জনকে। মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৪টি মামলা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানে ৩৮ হাজার ১৩৭টি ইয়াবা বড়ি, ২৭ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪২ জনের মধ্যে ৩৩৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা ভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ২২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯৫, লক্ষ্মীপুরে ৫২, চাঁদপুরে ৩২, নোয়াখালীতে ৩১, কক্সবাজারে ২৮, বান্দরবানে ২১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৭, ফেনীতে ১৬, রাঙামাটিতে ১৬ এবং খাগড়াছড়িতে আটজনকে আটক করা হয়েছে।অন্যদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে ৭জন, কক্সবাজারে ২জন, কুমিল্লায় ৯জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১জন, চাঁদপুরে ৭জন এবং নোয়াখালীতে ৮ জন রয়েছেন।

ক্রাইম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে ৫৪২ জনকে কিশোর গ্যাং -সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) পরিচালিত অভিযানের ২৪ ঘণ্টার ফলাফলের এসব তথ্য আজ শনিবার (০৭ নভেম্বর) দুপুরে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৬১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৮ জন রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলার পরোয়ানায় ১৮৫ জন, সাজা পরোয়ানায় ৩৪ জন, মাদক সেবনের অভিযোগে ৭৬ জন এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১২৬ জনকে। মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৪টি মামলা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানে ৩৮ হাজার ১৩৭টি ইয়াবা বড়ি, ২৭ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪২ জনের মধ্যে ৩৩৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা ভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ২২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯৫, লক্ষ্মীপুরে ৫২, চাঁদপুরে ৩২, নোয়াখালীতে ৩১, কক্সবাজারে ২৮, বান্দরবানে ২১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৭, ফেনীতে ১৬, রাঙামাটিতে ১৬ এবং খাগড়াছড়িতে আটজনকে আটক করা হয়েছে।অন্যদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে ৭জন, কক্সবাজারে ২জন, কুমিল্লায় ৯জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১জন, চাঁদপুরে ৭জন এবং নোয়াখালীতে ৮ জন রয়েছেন।