নুরুল ইসলাম, লোহাগাড়া: ফসলী জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ইটভাটার কাচামাল হিসেবে ব্যবহার করার প্রস্তুতি চলছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়। এতে জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল। একই ভাবে বনাঞ্চলের জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করে ইট পোড়াতে ব্যবহার করা হয়। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল। লোহাগাড়া ৯ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় ৫০টি ইটভাটা।

জানা গেছে, এরমধ্যে চলতি মৌসুমে ইট তৈরীর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে অন্তত ২৮টিতে। এছাড়া আরো ১৪টিতে ইট উৎপাদনের প্রস্তুতি নেওয়ার সম্ভাবনার তথ্য পাওয়া গেছে। লোহাগাড়ায় ইটভাটার মধ্যে মাত্র ১টিতে লাইসেন্স রয়েছে বলে জানা গেলেও, নবায়ন করা হয়েছে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছে সচেতন মহল। উপজেলার ইটভাটা গুলোর বৈধতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। লোহাগাড়া উপজেলার মধ্যে শুধুমাত্র পাহাড় টিলা বেশিষ্টত চরম্বা ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছে অন্তত ১৮টি ইটভাটা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, উক্ত ১৮টির মধ্যে এবারে উৎপাদনে যাচ্ছে ১৫টি। উপজেলার ইটভাটা গুলোতে আইন উপেক্ষা করেই উৎপাদন করা হয় বলে জানান অভিজ্ঞ মহল। ইতোমধ্যে ইটভাটা গুলোতে উৎপাদনের জন্য প্রাথমিক কাজ প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা যায়। লোহাগাড়ায় স্থাপিত অধিকাংশ ইটভাটা রয়েছে জনবসতি এলাকায়। চরম্বা ইউনিয়ন এলাকার ইটভাটাগুলো স্থাপন করা হয়েছে পাহাড়ী এলাকায়। এতে প্রাকৃতিক সৌন্দয্য বিনষ্টের অভিযোগ এলাকাবাসীর।

অভিজ্ঞ মহলের মতে, ইটভাটা প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটায় উৎপাদনের সুযোগ নাই। লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা চালু করলে আইনে শাস্তির বিধানও রয়েছে। লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধ ভাবে ইট উৎপাদনের ক্ষেত্রে লোহাগাড়ায় আইন মানা হচ্ছে না। লোহাগাড়ার প্রায়ই সব ইটভাটায় ফসলী জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বনাঞ্চলের কাঠ। সচেতন মহলের মতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।

নুরুল ইসলাম, লোহাগাড়া: ফসলী জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ইটভাটার কাচামাল হিসেবে ব্যবহার করার প্রস্তুতি চলছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়। এতে জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল। একই ভাবে বনাঞ্চলের জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করে ইট পোড়াতে ব্যবহার করা হয়। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল। লোহাগাড়া ৯ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় ৫০টি ইটভাটা।

জানা গেছে, এরমধ্যে চলতি মৌসুমে ইট তৈরীর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে অন্তত ২৮টিতে। এছাড়া আরো ১৪টিতে ইট উৎপাদনের প্রস্তুতি নেওয়ার সম্ভাবনার তথ্য পাওয়া গেছে। লোহাগাড়ায় ইটভাটার মধ্যে মাত্র ১টিতে লাইসেন্স রয়েছে বলে জানা গেলেও, নবায়ন করা হয়েছে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করছে সচেতন মহল। উপজেলার ইটভাটা গুলোর বৈধতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। লোহাগাড়া উপজেলার মধ্যে শুধুমাত্র পাহাড় টিলা বেশিষ্টত চরম্বা ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছে অন্তত ১৮টি ইটভাটা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, উক্ত ১৮টির মধ্যে এবারে উৎপাদনে যাচ্ছে ১৫টি। উপজেলার ইটভাটা গুলোতে আইন উপেক্ষা করেই উৎপাদন করা হয় বলে জানান অভিজ্ঞ মহল। ইতোমধ্যে ইটভাটা গুলোতে উৎপাদনের জন্য প্রাথমিক কাজ প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা যায়। লোহাগাড়ায় স্থাপিত অধিকাংশ ইটভাটা রয়েছে জনবসতি এলাকায়। চরম্বা ইউনিয়ন এলাকার ইটভাটাগুলো স্থাপন করা হয়েছে পাহাড়ী এলাকায়। এতে প্রাকৃতিক সৌন্দয্য বিনষ্টের অভিযোগ এলাকাবাসীর।

অভিজ্ঞ মহলের মতে, ইটভাটা প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটায় উৎপাদনের সুযোগ নাই। লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা চালু করলে আইনে শাস্তির বিধানও রয়েছে। লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধ ভাবে ইট উৎপাদনের ক্ষেত্রে লোহাগাড়ায় আইন মানা হচ্ছে না। লোহাগাড়ার প্রায়ই সব ইটভাটায় ফসলী জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বনাঞ্চলের কাঠ। সচেতন মহলের মতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।