বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের জানুয়ারি মাসের সরবরাহ চুক্তির দাম আগের দিনের তুলনায় ১ ডলার ৫৭ সেন্ট বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ ডলার ৮৬ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১ ডলার ১০ সেন্ট বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ ডলার ৬২ সেন্টে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ল।

তবে দৈনিক এই মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সাপ্তাহিক হিসাব বিবেচনায় নিলে ব্রেন্টের দাম ১২ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১২ দশমিক ১ শতাংশ কমার পথে রয়েছে। উল্লেখ্য, ৩০ অক্টোবর ডিসেম্বর মাসের সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বর্তমানে জানুয়ারি মাসের চুক্তির দাম বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে বুধবার এক দিনেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর এই দরপতন ঘটে, যা ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় তেলের দামকে গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসে।

বাজারে এই দরপতনের পেছনে ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা হ্রাসের প্রত্যাশা কাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর বিনিয়োগকারীরা সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনা দেখছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। এই উদ্বেগই বিশ্ববাজারে তেলের দামের আরো বড় পতন ঠেকাতে ভূমিকা রাখছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের জানুয়ারি মাসের সরবরাহ চুক্তির দাম আগের দিনের তুলনায় ১ ডলার ৫৭ সেন্ট বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ ডলার ৮৬ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১ ডলার ১০ সেন্ট বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ ডলার ৬২ সেন্টে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ল।

তবে দৈনিক এই মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সাপ্তাহিক হিসাব বিবেচনায় নিলে ব্রেন্টের দাম ১২ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১২ দশমিক ১ শতাংশ কমার পথে রয়েছে। উল্লেখ্য, ৩০ অক্টোবর ডিসেম্বর মাসের সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বর্তমানে জানুয়ারি মাসের চুক্তির দাম বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে বুধবার এক দিনেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর এই দরপতন ঘটে, যা ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় তেলের দামকে গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসে।

বাজারে এই দরপতনের পেছনে ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা হ্রাসের প্রত্যাশা কাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর বিনিয়োগকারীরা সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনা দেখছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। এই উদ্বেগই বিশ্ববাজারে তেলের দামের আরো বড় পতন ঠেকাতে ভূমিকা রাখছে।