ঢাকা অফিস: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর লেখা একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার বনানী এলাকার রাজনীতিতে তীব্র তোলপাড় ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ২০নং ওয়ার্ডের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নাম ব্যবহার করে চিঠিটি ছড়ানো হলেও সংশ্লিষ্টরা একে ‘বানোয়াট ও সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন।

ভাইরাল হওয়া ওই চিঠির বিষয়বস্তুতে বলা হয়েছিল, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ২০নং ওয়ার্ডের আসন্ন নির্বাচনে সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদকে দলীয় মনোনয়ন প্রদানের জন্য ২০নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে যৌথ আবেদন জানানো হয়েছে। তবে চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানামুখী আলোচনা -সমালোচনার জন্ম হয়।

চিঠিটির বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য ও ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, চিঠিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও জালিয়াতির ফসল।

তিনি লিখেছেন, “আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে, আমার ছবি ব্যবহার করে বিএনপির লোগো ও আমার নাম দিয়ে একটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। স্পষ্ট করে বলতে চাই—এই চিঠি বা এর কোনো বিষয়ের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। এটি আমার মানহানি ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহলের সম্পূর্ণ জালিয়াতি মাত্র। কেউ এই ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে এই ভুয়া চিঠি প্রকাশের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। বনানী থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মইনুল ইসলাম রনি গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) ফেসবুকে এক জরুরি প্রতিবাদ ও নিন্দা বার্তায় বলেন, “বনানী থানা যুবদলের কোনো ধরনের আলোচনা, পরামর্শ বা সম্মতি ছাড়াই ২০নং ওয়ার্ড এবং বনানী থানার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে একটি চিঠি বা আবেদনপত্র দেওয়া হয়েছে বলে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই—বনানী থানা যুবদল বা এর কোনো নেতৃবৃন্দের সাথে এ বিষয়ে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি। যুবদলের নাম ভাঙিয়ে এই ধরনের একতরফা ও ব্যক্তি স্বার্থমূলক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” যুবদলের নাম ব্যবহার করে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে, একই দিনে বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া সরদারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, “বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের ২০নং ওয়ার্ড ও বনানী থানা অথবা ২০নং ওয়ার্ডের প্রতিটি ইউনিটের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা বা মতামত গ্রহণ না করে এ ধরনের আবেদন ও পোস্ট প্রচার করায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। সাংগঠনিক ঐক্য ও শৃঙ্খলার স্বার্থে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত। আমরা বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠের রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান তৈরি বা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল এই ধরনের অপপ্রচার চালাতে পারে। তবে প্রধান অভিযুক্ত ও স্থানীয় অঙ্গসংগঠনগুলোর কড়া প্রতিবাদ এবং আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পর পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত করার চেষ্টা চলছে।

ঢাকা অফিস: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর লেখা একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার বনানী এলাকার রাজনীতিতে তীব্র তোলপাড় ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ২০নং ওয়ার্ডের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নাম ব্যবহার করে চিঠিটি ছড়ানো হলেও সংশ্লিষ্টরা একে ‘বানোয়াট ও সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন।

ভাইরাল হওয়া ওই চিঠির বিষয়বস্তুতে বলা হয়েছিল, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ২০নং ওয়ার্ডের আসন্ন নির্বাচনে সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদকে দলীয় মনোনয়ন প্রদানের জন্য ২০নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে যৌথ আবেদন জানানো হয়েছে। তবে চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানামুখী আলোচনা -সমালোচনার জন্ম হয়।

চিঠিটির বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য ও ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, চিঠিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও জালিয়াতির ফসল।

তিনি লিখেছেন, “আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে, আমার ছবি ব্যবহার করে বিএনপির লোগো ও আমার নাম দিয়ে একটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। স্পষ্ট করে বলতে চাই—এই চিঠি বা এর কোনো বিষয়ের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। এটি আমার মানহানি ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহলের সম্পূর্ণ জালিয়াতি মাত্র। কেউ এই ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে এই ভুয়া চিঠি প্রকাশের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। বনানী থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মইনুল ইসলাম রনি গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) ফেসবুকে এক জরুরি প্রতিবাদ ও নিন্দা বার্তায় বলেন, “বনানী থানা যুবদলের কোনো ধরনের আলোচনা, পরামর্শ বা সম্মতি ছাড়াই ২০নং ওয়ার্ড এবং বনানী থানার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে একটি চিঠি বা আবেদনপত্র দেওয়া হয়েছে বলে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই—বনানী থানা যুবদল বা এর কোনো নেতৃবৃন্দের সাথে এ বিষয়ে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি। যুবদলের নাম ভাঙিয়ে এই ধরনের একতরফা ও ব্যক্তি স্বার্থমূলক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” যুবদলের নাম ব্যবহার করে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে, একই দিনে বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া সরদারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, “বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের ২০নং ওয়ার্ড ও বনানী থানা অথবা ২০নং ওয়ার্ডের প্রতিটি ইউনিটের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা বা মতামত গ্রহণ না করে এ ধরনের আবেদন ও পোস্ট প্রচার করায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। সাংগঠনিক ঐক্য ও শৃঙ্খলার স্বার্থে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত। আমরা বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠের রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান তৈরি বা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল এই ধরনের অপপ্রচার চালাতে পারে। তবে প্রধান অভিযুক্ত ও স্থানীয় অঙ্গসংগঠনগুলোর কড়া প্রতিবাদ এবং আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পর পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত করার চেষ্টা চলছে।