প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বিজিএমইএ হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চিকিৎসক ও চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে আজ শনিবার (০৭ সেপ্টেম্বর)সকালে একটি টিম বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। টিমটি বন্যা কবলিত ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুরস্থ জুজখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যা পরবর্তী অসুস্থ বাসিন্দাদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের ৪টি বুথের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের সেবা সহ বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করেন।

এ’সময় শত শত নারী, পুরুষ, শিশু সহ নানা শ্রেনী পেশার লোকজনকে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যাম্পের বুথ গুলি থেকে সেবা নিতে দেখা যায়। ক্যাম্পের বুথ গুলিতে বিজিএমইএ হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে সেবা প্রদান করেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সাগরের লঘুচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টি এবং প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে আমাদের দেশে গত মাসের (আগষ্ট-২০২৪) মাঝামাঝি সময়ে ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে দেশের পূর্বাঞ্চলের ৮ জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। চট্টগ্রামের পূর্বাঞ্চলও ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। মানুষকে ঘর বাড়ী ছেড়ে জীবন রক্ষায় আশ্রয় নিতে হয়েছে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও আশ্রয় কেন্দ্রে। পানি কিছুটা নেমে পড়ার পর দেখা দিয়েছে ব্যাপক রোগবালাই। অবস্থা প্রেক্ষিতে সামাজিক দায়বদ্ধতায় আমরা বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে বিজিএমইএ হসপিটালকে মানুষের সেবার জন্য দূর্গত এলাকায় প্রেরণ করি। আমরা চেষ্টা করবো আমাদের সাধ্যর সবটুকু দিয়ে দূর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড খ্যাত রপ্তানিকারক তৈরী পোশাক শিল্প বিজিএমইএ সদা সর্বদা দেশের মানুষের পাশে থাকবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বিজিএমইএ হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চিকিৎসক ও চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে আজ শনিবার (০৭ সেপ্টেম্বর)সকালে একটি টিম বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। টিমটি বন্যা কবলিত ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুরস্থ জুজখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যা পরবর্তী অসুস্থ বাসিন্দাদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের ৪টি বুথের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের সেবা সহ বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করেন।

এ’সময় শত শত নারী, পুরুষ, শিশু সহ নানা শ্রেনী পেশার লোকজনকে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যাম্পের বুথ গুলি থেকে সেবা নিতে দেখা যায়। ক্যাম্পের বুথ গুলিতে বিজিএমইএ হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে সেবা প্রদান করেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সাগরের লঘুচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টি এবং প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে আমাদের দেশে গত মাসের (আগষ্ট-২০২৪) মাঝামাঝি সময়ে ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে দেশের পূর্বাঞ্চলের ৮ জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। চট্টগ্রামের পূর্বাঞ্চলও ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। মানুষকে ঘর বাড়ী ছেড়ে জীবন রক্ষায় আশ্রয় নিতে হয়েছে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও আশ্রয় কেন্দ্রে। পানি কিছুটা নেমে পড়ার পর দেখা দিয়েছে ব্যাপক রোগবালাই। অবস্থা প্রেক্ষিতে সামাজিক দায়বদ্ধতায় আমরা বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে বিজিএমইএ হসপিটালকে মানুষের সেবার জন্য দূর্গত এলাকায় প্রেরণ করি। আমরা চেষ্টা করবো আমাদের সাধ্যর সবটুকু দিয়ে দূর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড খ্যাত রপ্তানিকারক তৈরী পোশাক শিল্প বিজিএমইএ সদা সর্বদা দেশের মানুষের পাশে থাকবে বলে তারা উল্লেখ করেন।