আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়া ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লড়াই ১৫তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এবারের আসরটি বসছে বাংলাদেশের মাটিতে, যা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক প্রত্যাশা। এর আগেও ২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছিল। এবারের আসরটি ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। দুই দলের ম্যাচটি আগামীকাল বেলা সাড়ে ৩টায় শুরু হবে। একই দিনে রাত ৮টায় স্বাগতিক বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে ভুটানের। এবারের আসরে মোট ছয়টি দেশ অংশ নিচ্ছে—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। প্রতিটি দল গ্রুপ পর্বে দুটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে এবং এরপর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
মূলত ২০২৫ সালেই আসরটি মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে তা এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। আয়োজক শ্রীলঙ্কা তাদের সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে সরে দাঁড়ালে বাংলাদেশ নতুন আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পায়। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর টুর্নামেন্টটি শুরু হতে চলায় ফুটবল অঙ্গনে উৎসবের আমেজ তৈরির কথা থাকলেও, বাফুফের সঙ্গে সাফের সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে প্রত্যাশিত উত্তাপ কিছুটা অনুপস্থিত। তবে মাঠের লড়াই শুরু হলে টুর্নামেন্টটি প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টুর্নামেন্টের প্রচারের অংশ হিসেবে জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০০৩ সালের সাফ জয়ী দল ও ২০১০ সালের এসএ গেমস স্বর্ণপদক জয়ী ফুটবল দলের মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতোমধ্যে ভুটান, ভারত ও পাকিস্তানসহ অংশগ্রহণকারী দলগুলো ঢাকায় পৌঁছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে আমিনুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একবারই সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। দীর্ঘ ২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটাতে এবার কোচ থমাস ডুলির অধীনে প্রবাসী অভিজ্ঞ ও তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে বাংলাদেশ দল শিরোপার স্বপ্ন দেখছে। কোচ ডুলি জানিয়েছেন, তিনি প্রতিটি ম্যাচই জিততে চান এবং শিরোপা জেতাই দলের মূল লক্ষ্য।
৫-১৭ নভেম্বর পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ হবে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে।




