বশির আহাম্মদ, বান্দরবান: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দলমত ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু। বান্দরবানের সীমান্ত ঘেঁষা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর উপলক্ষে আয়োজিত সিরিজ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন।

দিনব্যাপী এ সফরে তিনি উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় প্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথক সভায় মিলিত হন।

সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির সার্বিক অবস্থান বিবেচনা করে মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এখানকার জননিরাপত্তা রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং টেকসই অবকাঠামো গঠনে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন সমন্বয় থাকা চাই।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও যোগ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি টিকিয়ে রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে হবে। সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো উন্নয়নের সুফল প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, আর এতে সর্বস্তরের সহযোগিতা আবশ্যক।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত থেকে মন্ত্রী সীমান্ত নিরাপত্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং চোরাচালান দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

সভায় ১১ বিজিবি (নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন)-এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল করিমসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে কাচারি পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে স্থানীয় জলাশয়ের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্যচাষীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশনা দেন। নাইক্ষ্যংছড়ির স্থানীয় একটি বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে পার্বত্য অঞ্চলে ধর্মীয় সহাবস্থান জোরদারের তাগিদ দেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা রেস্ট হাউস প্রাঙ্গণে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মুখোমুখি হন মন্ত্রী। স্থানীয় প্রতিনিধিরা যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও সীমান্ত নিরাপত্তার সার্বিক চিত্র তুলে ধরলে মন্ত্রী তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের আশ্বাস দেন।

সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নুরুল কাশেম ও সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন বাহাদুরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত কার্যক্রমসমূহ সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মন্ত্রীর এই নিবিড় ও ফলপ্রসূ সফর স্থানীয় সমস্যা সমাধান এবং সরকারের উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ ও স্থানীয় জনগণ।

বশির আহাম্মদ, বান্দরবান: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দলমত ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু। বান্দরবানের সীমান্ত ঘেঁষা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর উপলক্ষে আয়োজিত সিরিজ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন।

দিনব্যাপী এ সফরে তিনি উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় প্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথক সভায় মিলিত হন।

সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির সার্বিক অবস্থান বিবেচনা করে মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এখানকার জননিরাপত্তা রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং টেকসই অবকাঠামো গঠনে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন সমন্বয় থাকা চাই।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও যোগ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি টিকিয়ে রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে হবে। সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো উন্নয়নের সুফল প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, আর এতে সর্বস্তরের সহযোগিতা আবশ্যক।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত থেকে মন্ত্রী সীমান্ত নিরাপত্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং চোরাচালান দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

সভায় ১১ বিজিবি (নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন)-এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল করিমসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে কাচারি পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে স্থানীয় জলাশয়ের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্যচাষীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশনা দেন। নাইক্ষ্যংছড়ির স্থানীয় একটি বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে পার্বত্য অঞ্চলে ধর্মীয় সহাবস্থান জোরদারের তাগিদ দেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা রেস্ট হাউস প্রাঙ্গণে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মুখোমুখি হন মন্ত্রী। স্থানীয় প্রতিনিধিরা যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও সীমান্ত নিরাপত্তার সার্বিক চিত্র তুলে ধরলে মন্ত্রী তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের আশ্বাস দেন।

সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নুরুল কাশেম ও সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন বাহাদুরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত কার্যক্রমসমূহ সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মন্ত্রীর এই নিবিড় ও ফলপ্রসূ সফর স্থানীয় সমস্যা সমাধান এবং সরকারের উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ ও স্থানীয় জনগণ।