প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চন্দনাইশ উপজেলা সম্মিলিত বর্ষবরণ পরিষদের আয়োজনে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে চারদিন ব্যাপি বর্ষবরণ ও বৈশাখীমেলা গাছবাড়িয়া কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। কৃষি প্রধান বাংলার কৃষকদের সুবিধার জন্য মোগল সম্রাট আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত বাংলার ফসলি সন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বরুমতি ব্রিজ থেকে ১৪ এপ্রিল সকাল ৮ টায় শুরু হবে।
গতকাল শনিবার (০৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ-সাতকানিয়া (আংশিক) এলাকার শিক্ষা, ধর্ম, কর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐহিত্য, ক্রীড়া, হস্তশিল্প, তাঁতশিল্প, কৃটির শিল্প, মৃৎশিল্প, বাঁশ বেত শিল্প, ভাষা, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানবাধিকার, চিকিৎসা, কৃষিসহ প্রায় ৫ লক্ষ জনগণের জীবন জীবিকা তুলে নিয়ে আসার লক্ষ্যে বৈশাখী মেলা ও সম্মিলিত বর্ষবরণ উদযাপন-১৪৩৩ সফল করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় এম.পি আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে ও মোরশেদুল আলম মুন্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
১৪-১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৪দিন ব্যাপি বৈশাখী মেলার মুক্তমঞ্চে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিল্পীরা ও বান্দরবান রাঙামাটি খাগড়াছড়ি ও ঢাকার জাতীয় শিল্পীসহ অন্যান্য পাহাড়ি এলাকার শিল্পীদের পরিবেশনা, আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশিত জারি, সারি, ভাটিয়ালি, মুর্শেদী, মারফতী, মাইজভান্ডারী, আঞ্চলিক প্রভৃতি গান ও নৃত্য পরিবেশিত হবে। এছাড়াও পিঠাপুলি, পান্তা ইলিশের স্টল, হস্ত ও কুটির শিল্পের স্টল সম্বলিত দুই শতাধিক স্টল নিয়ে এ মেলা বসবে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার ও আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে স্টলগুলো বরাদ্দ দেয়া হবে। স্টল ও অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। চন্দনাইশ বর্ষবরণ পরিষদ অফিসে উক্ত ফরম পাওয়া যাবে।
যোগাযোগের ফোন নাম্বার: অধ্যক্ষ উত্তম কুমার আচার্য্য (০১৭১৬৩৩৭০১৬২), শহীদুল ইসলাম (০১৮২৭৪৯২২৯৯)।
আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদের পৃষ্টপোষকতায় এবং চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রাজিব হোসেনের দিক-নির্দেশনায় এবং গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক এম এ হাশেম রাজুকে আহ্বায়ক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট শক্তিশালী বৈশাখী মেলা ও সম্মিলিত বর্ষবরণ উদযাপন- ১৪৩৩ কমিটি গঠিত হয়।
তাছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের উপ- কমিটি গঠন করা হয়। এতে অভ্যর্থনা বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, সদস্য সচিব মোরশেদুল আলম মুন্না, অর্থ বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক ওরশেদুল আলম মিন্টু, সদস্য সচিব ব্যাংকার মো. এরশাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক মারুফুল ইসলাম আরিফ, সদস্যসচিব সেলিম উদ্দিন, যুগ্ম সচিব আব্দুর রহমান শ্যামা, সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী, সুরকার, গীতিকার অধ্যক্ষ উত্তম কুমার আচার্য্য, সদস্যসচিব জাতীয় শিল্পী অশ্রু বড়ুয়া, আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইলিয়াস খান,সদস্য সচিব ইফতেখার হোসেন ইফতু, গণমাধ্যম, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপ কমিটির আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দীন, সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব মহিউদ্দীন কাদের ও সেকান্দর বাদশা, স্টক বরাদ্দ বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক মো. নাছির উদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক ওসমান গণি, সদস্যসচিব শহীদুল ইসলাম, মঞ্চ ও আলোকসজ্জা বিষয়ক আহ্বায়ক চন্দনাইশ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্যানেল মেয়র মো: মাসুদুর রহমান মাসুদ, সদস্যসচিব ইফতেখার উদ্দীন সুমন, যুগ্ম সচিব ভি.পি আব্দুর রউফ।
খুব শীঘ্রই বাকি দপ্তরের উপ- কমিটিসমূহ আলোচনা সাপেক্ষে গঠন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।




